Home / এক্সক্লুসিভ / স’হবা’সের আগে ১ টুকরো মুখে নিয়ে যৌ’নমি’লন করুন ১ ঘন্টা !

স’হবা’সের আগে ১ টুকরো মুখে নিয়ে যৌ’নমি’লন করুন ১ ঘন্টা !

বেশির ভাগ মানুষ আছেন যারা যৌ’নতা বা গো’পন স’মস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচানা ক’রতে চান না। আর এমনকী’, যৌ’ন সং’ক্রা’ন্ত স’মস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে যেতেও অনেক সময় অনিহা দেখা দেয় ৷কিন্তু জা’নেন কী’ যৌ’ন বিশেষজ্ঞরা বলছেন

আমাদের প্রকৃতিতেই এমন অনেক জিনিস আছে, যা কিনা দূ’র ক’রতে পারে যৌ’ন স’মস্যা! আ’মেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী, তরমুজ নাকি এ ব্যাপারে দারুণ কাজ করে, যৌ’ণশ’ক্তির দিক থেকে অক্ষম বা দু’র্বল, তাদের সক্ষ’মতার জন্য তরমুজই প্রাকৃতিক প্র’তিষেধক। অর্থাৎ তাদের এখন থেকে আর ভায়াগ্রার পেছনে অর্থ না ঢেলে তরমুজে আস্থা রাখলেই চলবে।

তারা গবেষণার পর বিস্ময়কর ফল দে’খতে পান, একটি তরমুজে সিট্রোলিন নামের অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিমাণ এত বেশি, যা আগে বিজ্ঞানীরা ধারণাও ক’রতে পারেননি। তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শ’রীরের জন্য খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অ’সু’স্থতা কমে যায়।

এ ছাড়াও নিয়মিত তরমুজ খেলে প্রোস্টেট ক্যা’ন্সার, কোলন ক্যা’ন্সার, ফু’সফুসের ক্যা’ন্সার ও স্ত’ন ক্যা’ন্সারের ঝুঁ’কি কমে যায়।তরমুজে আছে ক্যারোটিনয়েড। আর তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানা স’মস্যা থেকে মু’ক্তি পাওয়া যায়। ক্যারটিনয়েড রাতকানা প্র’তিরো’ধেও ভূমিকা রাখে।

তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে জল এবং খুব কম পরিমাণে ক্যালোরি। আর তাই তরমুজ খেলে পে’ট ভরে যায় কিন্তু সে অনুযায়ী তেমন কোনও ক্যালোরি শ’রীরে প্রবেশ করে না। ফলে তরমুজ খেয়ে পে’ট পুরে ফেললে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

টেক্সা’স এ অ্যান্ড এম ইউনিভা’র্সিটির গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যারা দু’র্বল তাদের জন্য তরমুজ প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে।একটি তরমুজে প্রচুর পরিমাণে সিট্রোলিন নামের অ্যামাইনো এসিড থাকে যা শ’রীরকে প্রতিমু’হূর্তে সতেজ রাখতে সহায়তা করে। লিকোপেন সমৃদ্ধ খাবারের আরেকটি গুণ হল হাড়ের স্বা’স্থ্য ভালো করে। এটি হাড়ের অক্সিডেটিভ উপাদান দূ’র করে, যা হাড়ের ব্য’থার জন্য দায়ী।

এছাড়াও শ’রীরের বিভিন্ন রো’গের জন্য দা’য়ী। তাই, প্রাকৃতিকভাবেই আপনার হাড়ের স’মস্যা দূ’র করবে তরমুজ। তরমুজে যে অ্যামাইনো এসিড রয়েছে তা ব্যায়াম করার সময় শ’রীরকে বলিষ্ঠ রাখে ও শ’রীরের র’ক্তের গতি ঠিক রাখতে সাহায্য করে। শ’রীরের হরমোনের পরিমাণ বৃ’দ্ধি ক’রতে কোন তরমুজে’র জুরি নেই।

এক টুকরো রসুন আর এক গ্লাস দুধের অনেক উপকার!

সব বয়সীদের জন্যই দুধ একটি উপকারী পানীয়।দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই কম-বেশি জানি।এটি আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়।এদিকে রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান।কাঁচা রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে।তাই দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।এছাড়া, দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।

এছাড়া শ্বাসতন্ত্রকে ভালো রাখে। রাতে ঘুমানোর আগে দুধের মধ্যে রসুন দিয়ে খেলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়া সমস্যায়: যাদের অ্যাজমা, কফ,নিউমোনিয়ার সমস্যা রয়েছে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধে রসুন মিশিয়ে খেলে সমস্যা দূর হয়।কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে: দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতেও সাহায্য করে।জন্ডিসের প্রতিকার: রসুন-দুধ জন্ডিসের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। জন্ডিসে আক্রান্ত হলে দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন।এতে উপকার মিলবে।বাতের ব্যথা কমা: গাঁটে গাঁটে ব্যথা অনেক কমিয়ে দেয় এই রসুন ও দুধ। এমনিতেই গরম দুধ ব্যথা কমায়, সেই সঙ্গে রসুন প্রদাহ থেকে রক্ষা করে।সব মিলিয়ে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়। অনিদ্রার সমস্যা: হাজার চেষ্টা করলেও রাতে ঠিক করে ঘুম হয় না। এক গ্লাস রসুন-দুধ খেয়ে নিন।সমস্যা দূর দয়ে যাবে। ঘুম আসবে সহজেই।

আরো পড়ুন…আগামীকাল রবিবার বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন,খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখা অত্যন্ত ক্ষতিকর।আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ রোনাকী খোন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

এই গ্রামের অর্ধেক নারীই কুমারী, পাত্রের অভাবে হচ্ছে না বিয়ে

এমন একটি গ্রাম যেখানে শুধু সুন্দরী রমণীদের বসবাস। যেখানে নেই কোনো পুরুষ। আর তাই পাত্রের অভাবে বিয়েও হচ্ছে না সেসব নারীদের। কিছুদিন যাবত সেসব নারীরা পাত্রের সন্ধানে পুরুষদের আগমন জানাচ্ছেন তাদের গ্রামে। দুই পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি গ্রাম। নাম তার নোওয়া ডে করডেরিয়ো। জায়গাটি যতটা সুন্দর এই গ্রামের মেয়েগুলো ততটাই সুন্দর। এখানে বসবাসকারী যুবতীরা এই প্রথমবার নিজের যোগ্য সঙ্গীর খোঁজ শুরু করেছেন।

তবে শর্ত হলো বিয়ের পর বরকেও যে তার সঙ্গে থাকতে হবে। আপাতত ৬০০ জনের মধ্যে ৩০০ জন নারী যোগ্য পুরুষদের বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। গ্রামে থাকতে দেয়ার শর্তে যে পুরুষ রাজি হবে, তাদের সঙ্গে বিয়ে করবেন তারা।কারণ তারা গ্রামের বাইরে বিয়ে করবেন না। আবার সেই গ্রামে নেই কোনো পুরুষ। তাই যেসব পুরুষরা তাদের সঙ্গে ওই গ্রামে বসবাস করবে সুন্দরীরা তাদেরকেই বর বানাবে। এমনই শর্ত সেই গ্রামের মেয়ে।

বলছি, দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের নোওয়া ডে করডেরিয়ো গ্রামের কথা। এই গ্রামের বাসিন্দা ৬০০ এরও বেশি নারী। মাত্র কয়েক জন নারী বিবাহিত। তারাও কখনো গ্রাম ছাড়েননি। সপ্তাহ শেষে মাত্র দুই দিনের জন্য তাদের স্বামী গ্রামে আসেন। ব্রাজিলের এই গ্রামের নারীরা বিয়ের জন্য উন্মুখ হলেও পাত্রের সংকটে তা সম্ভব হয় না। গ্রামটিতে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীর সংখ্যাই বেশি।

যাদের মধ্যে ৫০ শতাংশেরও বেশি কুমারী নারী রয়েছে। এই গ্রামের নারীদের বিয়ের জন্য অবিবাহিত ছেলের সন্ধান পাওয়া একগাদা খড়ের মধ্যে সুঁচ খোঁজা মতোই কঠিন কাজ। এখানকার মেয়েরা যতই চেষ্টা করুক না কেন বিয়ের জন্য তারা অবিবাহিত ছেলে খুঁজে পায় না। তাই এই সুন্দরী মেয়েগুলো বাধ্য হয়ে বিবাহিত ছেলের সঙ্গেই বিয়ে করে নেয়। তা না হলে যে এই সুন্দরী মেয়েদেরকে সারাজীবন কুমারীই থাকতে হবে। এই গ্রামের বয়স প্রায় ১২৮ বছরের মতো তার পরেও বাহিরের কোনো গ্রামের সঙ্গে এই গ্রামের সম্পর্ক নেই । এই গ্রামের প্রায় বেশিরভাগ মেয়ের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর।

এই গ্রামের নারীরা ছেলেদের উপর কোনোভাবেই নির্ভরশীল না। সেখানকার নারীদেরকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলেছেন মারিয়া সেলেনা ডেলিমা। ১৮৯০ সালে এক মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া হয়। এরপরই শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে তিনি চলে আসেন দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের নোইভা ডো করডেরিয়ো গ্রামটিতে। মারিয়া সেনহোরিনা ডে লিমা নামের সেই মেয়েটি ১৮৯১ সালে এই গ্রামের গোড়াপত্তন করেন।

Check Also

৪ টি উপায়ে না’রীকে উ’ত্তে’জিত করা যায়

বি’ষয়টি অনেকের কাছেই অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। মনে হতে পারে যে এই ধরনের প্রশ্নের আসলে …