Home / এক্সক্লুসিভ / যমজ বাচ্চা কেন হয়? সব জবাব নারীর শরীরেই! জেনে নিন বিস্তারিত

যমজ বাচ্চা কেন হয়? সব জবাব নারীর শরীরেই! জেনে নিন বিস্তারিত

যমজ বাচ্চা কেন হয়? এ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। অনেকেই জানতে চায় এর রহস্য। সাধারণত যমজ বাচ্চাদের এক রকম দেখতে হয়। আবার এমনও হয় যে, মুখ দেখে বোঝাই যায় না যমজ। জেনে নিন এ নিয়ে চিকিৎসা শাস্ত্র কী বলছে।

এটা সকলেরই জানা যে, স্ত্রী দে’হের ডিম্বাণু ও পুরুষের শুক্রা’ণুর মিলনে তৈরি হয় ভ্রূণ। প্রতি ঋতুচক্রে নারী শরীরে একটি ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। কিন্তু কখনও কখনও দু‍টি ডিম্বাণুও উৎপন্ন ‘হতে পারে। প্রায় একই সময়ে উৎপন্ন হওয়া দুটি ডিম্বাণু থেকে যমজ বাচ্চাদের উৎপত্তি হয়ে থাকে। না, শুধু এটাই কারণ নয়, একটি ডিম্বাণু ভেঙে দুটি হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও যমজ বাচ্চা জন্ম ‘হতে পারে।

এ ব্যাপারে ঠিক কী হয় তা জানিয়েছেন, চিকিৎসক অরুণকুমা’র মিত্র তাঁর ‘কন্যা, জায়া ও জননী’ গ্রন্থে।

তিনি লিখেছেন যমজের বিভিন্নতা সম্পর্কে—

এক. ভিন্নধ’র্মী যমজ—সাধারণ দুটি ঊর্বর ডিম্বাণু থেকে এই ধরনের যমজের উৎপত্তি। এদের আকৃতি ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। গায়ের রং, চোখ বা চুলের রং-ও আলাদা হয়। তবে উভয়ের র’ক্ত ভিন্নধ’র্মী নাও ‘হতে পারে। এই দুটি ভিন্ন ভ্রূণঝিল্লিতে অবস্থান করে এবং স্বতন্ত্র ফুল থেকে পুষ্টির সরবরাহ পায়। সাধারণত এসব যমজের একটি হয় ছেলে এবং একটি হয় মেয়ে। যে সব দম্পতি নিজেরা যমজ, তাদের এরকম যমজ সন্তান লাভের যোগ বেশি।

দুই. অ’ভিন্নধ’র্মী যমজ—এরূপ যমজ বাচ্চাদের উৎপত্তি একটি ডিম্বাণু থেকে। এই ডিম্বাণু স্বাভাবিক ঊর্বরতা লাভের পর দুটি সমান ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি ভ্রুণের সৃষ্টি করে। এটি একটি ভ্রূ‌ণ-ঝিল্লির মধ্যে দু’ভাগে অবস্থিত থাকে এবং দুটি ভ্রুণ একটি ফুল থেকেই অক্সিজেন ও অন্যান্য পুষ্টি গ্রহণ করে। তা সত্ত্বেও অনেক সময় একটি ভ্রূণ অ’পেক্ষা অন্যটি বেশি বেড়ে যেতে পারে। এ ধরনের যমজ বাচ্চা দের দেখতে একই রকম হয় আর দুটি-ই ছেলে বা দুটিই মেয়ে ‘হতে পারে।

অনেক সময় এদেরও দে’হের গঠন, মুখাবয়ব, চুল বা চোখের রং হয় একই রকম। র’ক্তের গ্রুপ হয় সম-চরিত্রের, একজনের চামড়া কে’টে অন্যের গায়ে লাগালে তা নিজের চামড়ার মতোই আচরণ করে। বুড়ো আঙুলের ছাপে কিন্তু পার্থক্য থাকে। কখনও কখনও ডিম্বাণুটি অসম্পূর্ণভাবে বিভক্ত হলে সংযুক্ত-দে’হবিশিষ্ট যুক্ত যমজ বা সায়ামিজ টুইন-এর সৃষ্টি হয়। সূত্র: এবেলা

Check Also

২৩ বছরের সংসার, ভালোবাসা দিবসে কিডনি দিয়ে স্ত্রীর প্রাণ বাঁচালেন স্বামী

ভালোবাসার জন্যে মানুষ কি না করে? এবার স্ত্রীকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিয়ে দিলেন স্বামী। ভ্যালেন্টাইনস …