Home / এক্সক্লুসিভ / স’হবাসে বাড়ে ওজন, মে’য়েরা শুনছেন!

স’হবাসে বাড়ে ওজন, মে’য়েরা শুনছেন!

আপনার উপর স’ঙ্গীর প্রভাব নানাভাবে পড়তে পারে, খাদ্যাভ্যাস তার একটা। স্বাভাবিকভাবে ওজনের উপরেও প্রভাব পড়ার কথা। নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবে’ষণার ফলাফল তাই বলছে

চিকিৎসকেরা একে বলেন ‘ইমোশনাল ইটিং’ অর্থাৎ আবেগতাড়িত খাওয়াদাওয়া। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, মনে আ’নন্দ থাকলে অনেকসময়ই আমরা কী খাচ্ছি বা কতটা খাচ্ছি, তা খেয়াল করি না খাওয়ার উপরে কোনও নি’য়ন্ত্রণও থাকে না।

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ধরা যাক, ছোট থেকেই খেলাধুলো, শ’রীরচর্চার প্রতি বেশ ঝোঁক। আপনার ছিপছিপে সুগঠিত শ’রীরটা প্রায়ই বান্ধবীদের ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠত।

শ’রীর সুঠাম রাখতে কসরতেরও অভাব রাখেননি। কিন্তু জীবনে প্রেম আসার পর সেই চিত্রটাই হঠাৎ করে বেশ খানিকটা বদলে গিয়েছে। উইকএন্ডে ঘোরা

শপিং, এদিক ওদিক খাওয়া আর উপহার হিসেবেই মাঝেমধ্যেই জোটে প্রা’ণের চেয়েও প্রিয় চকোলেট। ব্যাস তাতেই সব দফারফা। চকোলেট-পেস্ট্রি আর পছন্দের পানীয়ের ভারে ওজন বেড়েছে কিলো পাঁচেক।

আসলে এই গল্প আপনার একার নয়। অনেক মে’য়েই সু’খী এবং স্থায়ী সম্প’র্কে থাকতে থাকতে ওজন বাড়িয়ে ফে’লেন অজান্তেই। ডিপ্রেশন বা স্ট্রে’স থেকে

যে অনেক সময় ওজন বাড়ে, সে কথা অনেকেরই জানা। ব্রিটেনের একটি সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে প্রায় 66 শতাংশ দম্পতি একস’ঙ্গে বসবাস শুরু করার পর

ওজন বাড়িয়ে ফে’লেছেন বলে স্বীকার করেছেন। মনস্তত্ত্ববিদেরা অবশ্য এর একটা ব্যাখ্যা খুঁজে পেয়েছেন। তাঁদের মতে আবেগ আর যুক্তিবোধের মধ্যে একটা বি’রোধিতা রয়েছে। আবেগ হিসেবে প্রেম এতটাই শ’ক্তিশালী যে তার সামনে যুক্তির অ’স্ত্রটা ভোঁতা হয়ে যায়। ফলে কখন যে ওজনের কাঁটা উঠতে শুরু করেছে, সে কথা মস্তিষ্ক বুঝতেই পারে না।

আবেগের বি’পদ
প্রেমে পড়লে একজন মানুষ নানাভাবে বদলে যান। তার প্রথম প্রভাবটা পড়ে খাওয়াদাওয়ার উপর। চিকিৎসকেরা একে বলেন ‘ইমোশনাল ইটিং’ অর্থাৎ আবেগতাড়িত খাওয়াদাওয়া। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, মনে আ’নন্দ থাকলে অনেকসময়ই আমরা কী

খাচ্ছি বা কতটা খাচ্ছি, তা খেয়াল করি না, খাওয়ার উপরে কোনও নি’য়ন্ত্রণও থাকে না। অসচেতনভাবে নি’য়ন্ত্রণহীন খাওয়াদাওয়ার কারণে একটা সময়ের পর

স্বাভাবিকভাবেই ওজন বাড়তে শুরু করে। তাই সবসময় খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে নজর রাখু’ন। কখন খাচ্ছেন, কী খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন এ সব কিছু খেয়াল রাখতে হবে। ধীরে ধীরে সময় নিয়ে খান। হাতের কাছে রাখু’ন লো ক্যালরি ফুড যাতে টুকটাক খিদে সহজেই সামলে দিতে পারেন।

প্রেমের ভ’য়
যতদিন জীবনে প্রেম আসে না, ততদিন নিজেকে বেশ সাজিয়েগুছিয়ে রাখার একটা স্বাভাবিক প্রবণতা আমাদের মধ্যে থাকে। কিন্তু একবার নিশ্চিন্ত সংসারজীবনের ছবি

আঁকা হয়ে যাওয়ার পর নিজের শ’রীরের যে ইমেজটা নিয়ে আপনি এতদিন অত্যন্ত সচেতন ছিলেন, তা আর ততটা গুরুত্বপূর্ণ থাকে না। এই মা’নসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে নিজেকে বলুন আপনি নিজের জন্যই শা’রীরিকভাবে সুস্থ আর সুন্দর থাকতে চান। সুস্থ থাকার প্রতিশ্রুতি দিন নিজেকে। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার উপর জো’র দিন। নিজের কাছে নিজেকে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলুন।

কী খাচ্ছেন, কেন খাচ্ছেন?
এই বি’ষয়ে খেয়াল রাখা সবচেয়ে জরুরি। কখন কোথায় কী খাচ্ছেন। দরকার হলে হেলদি খাবার খান। তেল মশলা এড়িয়ে চলুন। আর বিজের লোভ সংবরণ করুন। না করতে পারলে বি’পদ আপনারই।

স’ঙ্গীর প্রভাব
আপনার উপর স’ঙ্গীর প্রভাব নানাভাবে পড়তে পারে, খাদ্যাভ্যাস তার একটা। স্বাভাবিকভাবে ওজনের উপরেও প্রভাব পড়ার কথা। নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবে’ষণার ফলাফল জানাচ্ছে দম্পতির মধ্যে কোনও একজনের ওজন বেশি হলে অপরজনেরও ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচার একটাই উপায়। পার্টনারের স’ঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। তাঁকে বোঝান ওজন নি’য়ন্ত্রণে রাখার জন্য, সুস্থ থাকার জন্য নিয়ন্ত্রিত ও স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার কোনও বিকল্প নেই। দু’জনে আলাদাভাবে একটা নোটবুক রাখু’ন যেখানে সারাদিনে কোথায় কোথায় কী খেলেন, তা লিখে রাখবেন। প’রস্পরের স’ঙ্গে এই নোট শেয়ার করুন। সবচেয়ে জরুরি হল, সময়মতো খাওয়া। দরকারে নিজের ফোনে খাওয়ার সময়টা অ্যালার্ম দিয়ে রাখু’ন।

Check Also

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন …