Home / এক্সক্লুসিভ / প্রথম স’হবাসের সময় মেয়েরা কাঁদে কেনো !

প্রথম স’হবাসের সময় মেয়েরা কাঁদে কেনো !

২০১১ সালে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব মি’লন হেলথ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এক-তৃতীয়াংশ না’রী তৃ’প্তিদায়ক যৌ’নকর্মের পরও বি’ষণ্নতায় ভোগেন।

তারা কাঁ’ন্নার পেছনে বেশ সশয় ব্য’য় করেন এমনকি সে’ক্সের আগেও অনেক না’রী আ’বেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ২৮ বছরৃ বয়সী লরা নামের এক না’রী জানান যে, স’ঙ্গী তাকে জ’ড়িয়ে ধরার পরই তিনি কেঁ’দে ফে’লেছিলেন। অনেক সময় এ অবস্থা কয়েক ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হতে পারে।

অনেক সময় সে’ক্সের পর রাতে ঘুমিয়ে সকালে ওঠার পরও মনে হয়, মনটা খা’রাপ হয়ে আছে। ২৫ বছর বয়সী সোফি জা’নান, সে’ক্সের পর প্রায়ই আমি কাঁ’দি। আমার কাছে মনে হয়, হয়তো এ অ’বস্থা কা’টিয়ে ওঠার জন্যে দে’হে অনেক বেশি হ’রমোনের প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞ ড. পেট্রা বয়নটন জানান,

যৌ’নতার পর দুঃখবো’ধ হওয়া বা বি’ষণ্ন হয়ে পড়ার বি’ষয়টি অ’নেকগুলো কারণের ও’পর নির্ভর করতে পারে। নানা ধরনের আবেগ নানাভাবে প্র’ভাবশালী হয়ে ওঠে। এমনকি ছেলেরাও কাঁ’দতে পারেন। ৩১ বছর বয়সী চার্লি জানান, জীবনে প্রথমবার সে’ক্স করার পর প্রচুর কেঁ’দেছি। আমি ভ’য় পেয়ে গি’য়েছিলাম। সম্পর্ক বি’ষয়ক বিশেষজ্ঞ জেন ডে বলেন, নানা স্বাদ ও গ’ন্ধ হয়ে জীবনে আসে সে’ক্স।

খুব আবেগের সঙ্গে, ধীর লয়ে ও গভীর অনুভূতি নিয়ে যৌ’নতার পর এমনিতেই মনটা ভার হয়ে থাকতে পারে। আরো পড়ুন: যৌ’ন উ’ত্তেজক ট্যাবলেট গ্রহণ নিয়ে জরুরি কিছু কথা! উ,ত্তেজক ট্যাবলেট বর্তমানে দেশজুড়ে ই’য়াবা নামক এক ধরনের যৌ… উত্তেজক ও’ষুধ সেবনের প্রবণতা বেড়ে গেছে বলে প্রায়ই সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের খবরের শিরোনাম হচ্ছে।

সত্যিকথা বলতে কি, এসব ও’ষুধ জীবন শুধু ধ্বং’সের দিকেই ঢেলে দেয়, সুখকর কিছু দেয় না। সুখকর দা’ম্পত্য জীবনের জন্য যৌ’নবি ষয়ক জ্ঞান রাখা সব না’রী-পু’রুষের একান্ত প্রয়োজন।কারণ সামান্য ভু’লের মাসুল গুনতে হতে পারে সারাজীবন।

যেসব পু’রুষ বা না’রী শখের বশে বা নিয়মিত স’হবাসের আগে যৌ’ন উ’ত্তেজক ও’ষুধ, যেমন ই’য়াবা, ভা’য়াগ্রা বা অন্য কোনো ধরনের ট্যাবলেট সেবন করেন, তাদের জন্য এ ও’ষুধগুলোই এক সময় দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে হু’মকির কারণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

কারণ এ ধরনের ও’ষুধ ধ্ব’জভ’ঙ্গ রো’গের দিকে ঠেলে তো দেয়ই, কিছু ক্ষেত্রে মৃ’ত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়। অনেকেরই হয়তো অজানা, যৌ’নশক্তি বাড়াতে কোনো ও’ষুধ সেবনের প্রয়োজন নেই।ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসকরা কিছুদিন ও’ষুধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন। গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, পু’রুষরা পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমেই যৌ’নশক্তি পেয়ে থাকেন।

এ ক্ষেত্রে মধু, খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অতিগুরুত্বপূর্ণ। ডিমের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধ প্রাধান্য দিতে পারেন। তবে হোমিওপ্যাথি কিছু ও’ষুধ আছে, যা কাজে এ ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। যারা নিয়মিত যৌ’ন উ’ত্তেজক বিভিন্ন ধরনের ও’ষুধ সেবন করে থাকেন, তারা ক্রমে এসবের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

পরিণামে কোনো কোনো পু’রুষ পুরোপুরি যৌ’নক্ষ’মতায় অ’ক্ষম হয়ে পড়েন। একটা সময় পরে ওই ও’ষুধগুলো শ’রীরে আর কাজ করে না। একই সঙ্গে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো বি’রূপ পা’র্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শি’কার হয়। এদিকে,সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পু’রুষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন ক’ষ্ট না’রীর মন জয় করা।

তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়। এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক। এক নজরে দেখে নিন ৫টি টিপস যেটা মেনে চললে পছন্দের না’রী স’ঙ্গিনী পাগলের মত ভালবাসতে চায়-১) ফি’টফাট থাকুন:না’রীরা দী’র্ঘদেহী পু’রুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়।

গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বি’ষয় হলো না’রী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফি’টফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পু’রুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে? সুতরাং, আ’লুথালু পোশাক,

এলোমেলো চুল, নখ না কা’টা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের না’রীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। না’রীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন। ২) নিজের রুচি তুলে ধরুন: দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বি’ষয়টা মোটেও এমন নয়।

আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখু’ন তা যেন আপনার শা’রীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়।

নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন না’রীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক না’রীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পু’রুষদের পছন্দ করেন না।৩) মুখে হাসি ফোটান: রসবোধ থাকা’টা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পু’রুষের চরিত্রে না’রীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বির’ক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে না’রীদের।

তাই একজন মনমরা টাইপ স’ঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আ’ঘাত করা মোটেই কাজের কথা না।

অনেক না’রীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পু’রুষ হাসিমুখে নিজের ভু’ল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি না’রীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বি’ষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখু’ন।৪) তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান:না’রীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন।

তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একসঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

Check Also

নতুন বিয়ে, ৭ দিনে ৪ বার খাট ভা’ঙল নব দ’ম্পতি!

ক’রোনার প্র’ভাবে সবাই জর্জরিত। সারা বিশ্বে ম’হামা’রীর আ’কার ধারন ক’রেছে ক’রোনা ভাই’রাস। ক’রোনা ভাই’রাসের মা’রণ …