Home / এক্সক্লুসিভ / মরে গেছে খিদে, বিছানায় অভ্যাসে খেলা করে দুটো মেশিন! তবে উপায়

মরে গেছে খিদে, বিছানায় অভ্যাসে খেলা করে দুটো মেশিন! তবে উপায়

জো’র করে কারোর স’ঙ্গে যৌ’নস’ঙ্গ’মে লি’প্ত হওয়া এককথায় ধ’র্ষণ। যখন কোনও প্রা’প্তব’য়স্ক পুরু’ষ এবং ম’হিলা একে অপরের স’ঙ্গে যৌ’নসংসর্গ করছেন তখন ধরে নেওয়া হয় বি’ষয়টি নিয়ে তাঁদের দুজনেরই সম্মতি রয়েছে।

জো’র করে কারোর স’ঙ্গে যৌ’নস’ঙ্গ’মে লি’প্ত হওয়া এককথায় ধ’র্ষণ। যখন কোনও প্রা’প্তব’য়স্ক পুরু’ষ এবং ম’হিলা একে অপরের স’ঙ্গে যৌ’নসংসর্গ করছেন তখন ধরে নেওয়া হয় বি’ষয়টি নিয়ে তাঁদের দুজনেরই সম্মতি রয়েছে।

কারণ শুধুমাত্র শা’রীরিক সম্প’র্ক দিয়ে কোনও সম্প’র্ক যেমন তৈরি হয় না, তেমনই ভালো কোনও সম্প’র্ক টিকিয়েও রাখা যায় না। একটা মা’নসিক সেতুবন্ধ’ন খুবই জরুরি।

যদি এরকম কখনও মনে হয় যে, আপনার স’ঙ্গীর স’ঙ্গে ওই ‘শোয়া’ ছাড়া আর কোনও সম্প’র্ক আপনাদের মধ্যে টিকে নেই তাহলে ধরেই নিন এই সম্প’র্কটার ওই পোশাকি নামটুকু ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই। নতুন করে সম্প’র্ক গড়ার উদ্যোগ আপনাদেরই নিতে হবে। কীভাবে নেবেন, দেখে নিন।

প্রতিদিন নিয়ম করে জিমে যান
নিয়ম করে সকালে উঠে শ’রীরচর্চা করুন। এটাকে রুটিনের মধ্যে ফে’লে দিন। এর ফলে আপনার র’ক্তচা’প নি’য়ন্ত্রণে থাকবে। র’ক্তচলাচল ভালো হবে। ঘুম ভালো হবে। এবং ইস্ট্রোজেন, টেস্টোস্টেরনের মতো হরমোন ভালো কাজ করবে। তাই আর দেরি নয়, ধুলো পড়া জুতো ঝেড়ে নিয়ে আজ থেকেই শুরু করুন।

স্ট্রে’স থেকে দূরে থাকুন
স্ট্রে’স বাড়লেই আপনার মনের উপর চা’প পড়বে। সেখান থেকে মেজাজ খিটখিটে হয়। রাতে ঘুম ভালো হয় না। কোলেস্টেরল বাড়ে। দে’হে হরমোনের পরিবর্তন বা মুড স্যুইয়ের ক্ষেত্রে কোলেস্টেরলের প্রভাব খুব বেশি। প্রতিদিন যোগা, মেডিটেশন করলে এই সমস্যা অনেকখানি কমে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খান
ভাজাভুজি মোটেও শ’রীরের জন্য ভালো নয়, কিন্তু আপনি যদি আলুভাজা ভালোবাসেন তাহলে ঘুমোনোর আগে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খান। মাঝেমধ্যে বার্গারও চলতে পারে।

কারণ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বিছানায় যাওয়ার আগে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেলে যৌ’ন উ’ত্তেজনা বাড়ে। এছাড়াও ডার্ক চকোলেট, তরমুজ চলতে পারে।

পর্যা’প্ত ঘুম
বেডরুমে ঢুকলে আপনার শুধুই ঘুম পায়? কোনও রকম যৌ’ন উ’ত্তেজনা থাকে না? তাহলে আগে ভালো করে ঘুমিয়ে নিন। শ’রীরের রেস্ট আগে দরকার। কদিন ভালো মত ঘুম হলে দেখবেন যৌ’ন উ’ত্তেজনা এমনিই ফিরে আসছে।

ডিপ্রেশন কিন্তু অন্যতম কালপ্রিট
কর্মক্ষেত্র নিয়ে হতাশায় ভুগছেন? সেখান থেকেও কিন্তু যৌ’ন জীবনে প্রভাব পড়ে। যদি বুঝতে পারেন ডিপ্রেশনে ভিগছেন তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। পরামর্শ নিন। ও’ষুধ খান। মনকে শান্ত রাখু’ন।

Check Also

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন …