Home / এক্সক্লুসিভ / স্কুল বন্ধ, বেতন নেই সবজি বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন এমএ পাশ শিক্ষক

স্কুল বন্ধ, বেতন নেই সবজি বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন এমএ পাশ শিক্ষক

মা’র্চের শেষ থেকে ক’রো’নার জেরে লকডাউন। বন্ধ অফিস, কাছারি, স্কুল, কলেজ। সরকারি কর্মীদের তেমন অ’সুবিধা না হলেও বিপাকে বেসরকারি কর্মীরা। সবথেকে বেশি সমস্যায় বেসরকারি স্কুল, কলেজের শিক্ষক। কেউ নিজের জমিতে ধান কাটতে বাধ্য হয়েছেন।

কেউ ঠেলা নিয়ে ইডলি বিক্রি করছেন। দিল্লির এই শিক্ষক এখন সবজি বিক্রি করেই সংসার চালাচ্ছেন। সর্বোদয় বাল বিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়ান ওয়াজির সিং। এমএ পাশ করেছেন। বিএড–ও করেছেন। সেই ওয়াজিরই এখন ভ্যান ঠেলে পাড়ায় পাড়ায় সবজি বিক্রি করছেন। কোভিডের কারণে স্কুল বন্ধ। দিল্লি সরকারের নির্দেশ মেনে ৮ মের পর আর বেতন

পাননি। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ওয়াজিরের সামনে তাই আর কোনও পথই ছিল না। ওয়াজির জানালেন, ‘‌দিল্লি সরকার নির্দেশ দিয়েছিল ৮ মে পর্যন্ত অস্থায়ী শিক্ষকদের বেতন দিতে হবে। তাই তার পর থেকে আর বেতন পাইনি। যদিও আমা’র চাকরি এখনও রয়েছে, তবু সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি।’‌ ওয়াজিরের পরিবারে সদস্য

সংখ্যা ৬। বাবা, মা অ’সুস্থ। ভাই–বোনেরা বেকার। তাই পথে নেমেছেন তিনি। ৫ মে দিল্লির আপ সরকার একটি ঘোষণা করে। বলে, ৮ মে পর্যন্ত অস্থায়ী শিক্ষকদের বেতন দেওয়া হবে। যদি তাঁদের কাজে বহাল রাখা হয়, তাহলে গ্রীষ্মের ছুটিতেও বেতন দেওয়া হবে। পরে

উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া টুইটারে জানান, কোভিড আ’ক্রান্ত এলাকায় যেসব অস্থায়ী শিক্ষক, দিনমজুর কাজ করবেন, তাদের বেতন দেবে সরকার। সরকারের এই নীতির সমালোচনা করে ওয়াজির বললেন, ‘‌দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুসারে বিপর্যয়ের জন্য কারও চাকরি যেতে পারে না। অথচ আমা’র তাই হল। এখন দেশে বিপর্যয়ই চলছে ক’রো’নার কারণে।

আমা’র চাকরি যায়নি, কিন্তু আমি বহিষ্কৃত। যখনই অস্থায়ী শিক্ষকদের বদলি বা নতুন করে নিয়োগ হয়, তখন এ রকমই পরিস্থিতি তৈরি হয়। চাকরিতে এই অনিশ্চয়তা বন্ধ করা দরকার।’ অস্থীয় শিক্ষক দিন অনুসারে টাকা পান। এক দিন পড়িয়ে কলেজের শিক্ষক পান ১,৪৪৫ টাকা। স্কুলের শিক্ষক পান ১,৪০৩ টাকা।‌ ওয়াজিরের দাবি, এ রকম দিন প্রতি টাকা না দিয়ে নির্দিষ্ট বেতন করা হোক।

Check Also

রাতে ঘুমানোর আগে যে পানীয় ১ গ্লাস খেলে উ’ধাও মেদ-ভুঁড়ি!

দিনে দিনে আমাদের ব্যস্ততা যেন বেড়েই চলছে। কোন অবসর নেই আমাদের জীবনে! ঠিক ব্যস্ততার সাথে …