Home / এক্সক্লুসিভ / ঘুম নিয়মিত কম হলে যেসব সম’স্যায় আপনি পড়তে পারেন!

ঘুম নিয়মিত কম হলে যেসব সম’স্যায় আপনি পড়তে পারেন!

রাত হলে সময় মতো বিছানায় যান ঠিকই কিন্তু ঘুম আসে না কিছুতেই! ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের প্রায় অর্ধেকটাই পার হয়ে যায় বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে। এমন সমস্যায় যারা আছেন, তারা অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের সাহায্য নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও শরীরের জন্য মা’রা’ত্মক ক্ষ’তিকর। ঘুম মূলত আমাদের শরীরের ক্ষ’য়ক্ষ’তি পূরণ ও শক্তি সঞ্চয়ের একটি পন্থা।

কিন্তু নিয়মিতভাবে ঘুম কম হলে শরীরে নানা রো’গব্যা’ধি বাসা বাঁধে এবং শরীর গতি হা’রিয়ে ফেলে। অকালে বৃদ্ধ হওয়ার ঝুঁ’কিও অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এবার জেনে নেওয়া যাক, কম ঘুমের জন্য শরীরে কী কী ধরনের ক্ষ’তি হতে পারে… উচ্চ র’ক্তচা’পের সম’স্যা বৃ’দ্ধি করে দিনে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বা কম হলে বাড়তে পারে উচ্চ র’ক্তচা’পের সম’স্যা।

চিকিত্সকদের মতে আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের ‘লিভিং অরগানিজম’গুলো ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। ন’ষ্ট হতে পারে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য। বাড়তে পারে উচ্চ র’ক্তচা’প, হাইপার টেনশনের মতো সম’স্যা। হা’র্টের সম’স্যা বৃদ্ধি করে আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের হৃ’দপি’ণ্ড এবং র’ক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়।

কিন্তু ঘুম না হলে বা কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সম’স্যা বাড়তে থাকে। ডা’য়াবে’টিসের ঝুঁ’কি বাড়ায় দীর্ঘদিন রাতে না ঘুমানো বা কম ঘুমানোর ফলে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন ব্যাহত হয়। যার ফলে ডা’য়াবেটিসে আক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি বাড়তে থাকে।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে যখন আমরা ঘুমাই, তখন আমাদের শরীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ‘লিভিং অরগানিজম’ কাজ করতে থাকে। কিন্তু আমরা না ঘুমালে এই ‘লিভিং অরগানিজম’গুলো কাজ করতে পারে না। ফলে ক্রমশ আমাদের শরীরের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

মানসিক স্বাস্থ্য ন’ষ্ট হয় মস্তি’ষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ওরেক্সিন উৎপাদনের গতি মন্থর হয়ে যায়। মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা কমতে থাকে। মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম না পেলে অ’তিরিক্ত বি’ষণ্ণ’তা, হ্যালুসিনেশনের, স্মৃতিভ্রংশের মতো একাধিক সম’স্যা দেখা দিতে পারে।

দিনে দিনে নিজের বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও লোপ পেতে পারে। হজমে সম’স্যা সৃষ্টি করে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বাড়তে পারে হজমের সম’স্যাও। আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের পাচন ক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে খাবার হজমে সহায়ক পাচক রস উপযুক্ত মাত্রায় নিঃ’সর’ণে বাধা পায়।

তাই হজমের নানা সম’স্যা শুরু হয়। সুতরাং, ঘুম আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পন্থা। আমাদের দৈহিক প্রায় সকল কার্যকলাপই ঘুমের উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই কোন রকম অবহেলা না করে নিয়মিত প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো অত্যন্ত জরুরি।

কিন্তু যদি নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে ঘুম না আসে, তাহলে ইচ্ছেমতো ওষুধ না খেয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। এছাড়া শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম, খেলাধুলা ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। আর স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে চেষ্টা করুন। অবশ্যই ঘুমের সময়ে মোবাইল ঘাঁটাঘাটি থেকে দূরে থাকবেন।

Check Also

নতুন বিয়ে, ৭ দিনে ৪ বার খাট ভা’ঙল নব দ’ম্পতি!

ক’রোনার প্র’ভাবে সবাই জর্জরিত। সারা বিশ্বে ম’হামা’রীর আ’কার ধারন ক’রেছে ক’রোনা ভাই’রাস। ক’রোনা ভাই’রাসের মা’রণ …