Home / এক্সক্লুসিভ / মেয়েরা কেন স্বামীর রেখে অন্য ছেলের সাথে যৌ’ন মি’লন করতে চাই! সব স্বামীর জানা উচিত

মেয়েরা কেন স্বামীর রেখে অন্য ছেলের সাথে যৌ’ন মি’লন করতে চাই! সব স্বামীর জানা উচিত

সম্পর্কে যেমন রয়েছে প্রগাঢ় ভালোবাসার অনুভব, তেমনি রয়েছে তিক্ততা। সম্পর্কের এসব জটিল রসায়ন মেনে নিয়েই মানুষ মিলনে আছে, আছে বিচ্ছেদেও। এমন নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়ে মুখরোচক গল্পের অভাব নেই। নারীর কথাই ধরা যাক। বলা হয়, দেবতা নারীর মন বোঝেনি! আর আমাদের সামনে যদি এ প্রশ্ন হাজির হয়, মেয়েরা কেন স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করে?যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এলিসিয়া ওয়াকার নারীর গোপন সম্পর্ক নিয়ে একটি বই লিখেছেন। তিনি তথ্য-প্রমাণ হাজির করে জানিয়েছেন, যেসব নারী স্বামীকে ভালোবাসেন আর বিবাহিত সম্পর্কও অটুট রাখতে চান, তাঁরাই বেশিরভাগ স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেন। বইটির নাম ‘প্রতারক স্ত্রীর গোপন জীবন’ রেখেছেন এ শিক্ষক-গবেষক।

এক বছর ধরে ওয়াকার ২৪ থেকে ৬৫ বছর বয়সী ৫০ জন নারীর সাক্ষাৎ নেন। একটি ম্যারিড ডেটিং সাইটের ওপর গবেষণার অনুরোধ এলে তিনি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে কথা বলেন। দেখেন, যেসব নারী স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেন, তাঁরা বিবাহ নামক সম্পত্তিটি হাতছাড়া করতে চান না, তারা শুধু যৌনতা ও পুলক খোঁজেন অন্যের কাছে!অধ্যাপক ওয়াকার তার গবেষণা সম্পর্কে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি সানকে বলেন, অর্ধেকের বেশি নারী তাকে বলেছেন, তারা যৌনতাবিহীন বিবাহ সম্পর্কে আছেন অথবা তারা পুলকবোধ করেন না এবং সেজন্যই স্বামীর সঙ্গে এ অবিশ্বস্ততা।

ওয়াকারের আগ্রহ ছিল এ বিষয়টার ওপর : কেন মেয়েরা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেন? সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, বয়স চল্লিশের আগেই মূলত বেশিরভাগ নারী অবিশ্বস্ত হন।যারা স্বামীকে ভালোবাসি বলেন, অথচ তার সঙ্গে প্রতারণা করেন; তাদের মনোজগৎ উন্মুক্ত করতেই ওয়াকার গবেষণা করেন। দেখেন, ওই বয়সে তারা নতুন সঙ্গী খুঁজতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন, আর তাই গোপন প্রণয় সারেন। তিনি দেখেন, বেশিরভাগ নারীর কাছে এ আচরণ স্বতঃস্ফূর্ত পছন্দ নয়, এক ধরনের প্রয়োজনীয়তা।

গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের মধ্যে প্রায় সবাই বলেছেন, ‘আমি অনেক বছর বিবাহিত সম্পর্কে আছি, তাই, হয় আমাকে প্রতারণার মাধ্যমে অন্য কারো কাছ থেকে পুলক নিতে হবে, নয়তো আমাকে স্বামী ছাড়তে হবে।’এলিসিয়া ওয়াকার বলেন, এটা খুবই হিসাবী সিদ্ধান্ত, যা তারা বৈবাহিক জীবন থেকে হারিয়ে ফেলেছেন, চরম পুলক তার মধ্যে একটি; এবং তারা সত্যিই বিবাহিত অবস্থায় প্রতারণা করছেন, যা বিস্ময়কর।

গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের একজন ৪৫ বছর বয়সী গ্যাব্রিয়েল। তিনি তার বিবাহিত জীবনের বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলো জানান অধ্যাপক ওয়াকারকে। বলেন, ‘আমি হাঁটুতে মুখ লুকিয়ে অনেক কেদেছি। পরে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, হয় প্রতারণা করব, নয় পালাব।’অনেক নারীই বলেছেন, অসুস্থতার কারণে তাদের স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম। কিন্তু তাদের যৌ’ন চাহিদা পূরণ করা জরুরি এবং তারা তাদের বিবাহিত জীবনও ধ্বংস করতে চান না। আর এ জন্য তারা প্রতারণাকে খারাপভাবে দেখছেন না। তবে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অনেকে আছেন, যারা যেকোনো সম্পর্কে থেকেই প্রতারণা করেন। নতুনত্ব সন্ধানী তাঁরা।

তবে দুজনের সম্পর্ক যে শুধু শারীরিক তা মানতে নারাজ কেউ কেউ। তাঁরা বিবাহিত সম্পর্ক ছেড়ে দিয়ে অন্য সঙ্গী খুঁজতে আগ্রহী। দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকার ফলে যুগলের ভেতর ভালোবাসা সৃষ্টি হয়, এর মূল্যও অনেক। তাই ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে প্রতারণা করতে চান না তারা।তবে এটা বিস্ময়কর, বেশিরভাগ নারীর সঙ্গে কথা বলে অধ্যাপক ওয়াকার এ সিদ্ধান্তে এসেছেন, পুলক-প্রয়োজনীয়তাই তাদের ‘ভালো স্ত্রী’ ও ‘ভালো মা’ করে তুলছে। আর সবচেয়ে যেটার দিকে মনোযোগ দিতে হবে, তা বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষাও করছে!

স্বামী-স্ত্রীর যে ১০ ভুলে সন্তান হয়না সারাজীবন! বয়স বাড়ার সঙ্গে নারীর সন্তান ধারণ ক্ষমতা প্রাকৃতিকভাবেই খানিকটা কমে আসে। শুধু তা-ই নয়, জীবনযাপনের আরো কিছু বিষয় সন্তান ধারণক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। চলুন বিস্তারিত জেনে নিন_

১. অতিরিক্ত ওজন
অতিরিক্ত ওজন সন্তান না হওয়ার একটি অন্যতম কারণ। এটি শরীরের হরমোনের মাত্রাকে প্রভাবিত করে এবং নারীর সন্তান ধারণ ক্ষমতাকে অত্যন্ত জটিল করে তোলে। এর ফলে নারীর জরায়ুর কার্যক্ষমতাও হ্রাস পায়। ২০০৯ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, ১৮ বছর বয়সের যেসব নারী ওজনাধিক্যের সমস্যায় রয়েছেন, তাঁরা জরায়ুর বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হন এবং তাঁদের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা কমে যায়।

২. রুগ্ন শরীর
অতিরিক্ত ওজন যেমন সন্তান ধারণ ক্ষমতা হ্রাস করে, তেমনি খুব বেশি পাতলা হওয়াও ক্ষতিকর। বেশি চিকন হলে নারীর দেহে ল্যাপটিন হরমোনের অভাব হয়। এই হরমোন ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে এই হরমোনের ঘাটতি হলে ঋতুচক্রের সমস্যা হয়। তাই গবেষকদের মতে, উচ্চতা এবং ওজনের সামঞ্জস্য বজায় রাখুন। সুষম খাদ্য এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন ঠিক রাখুন। এটি নারীর বন্ধ্যত্ব দূর করতে সাহায্য করে।

৩. বয়স বেশি হওয়া
যখন নারীর ঋতুচক্র স্বাভাবিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়, তখন সে আর সন্তান ধারণ Child capacity করতে পারে না। ঋতুচক্র একবারে বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মেনোপজ বলে। তবে যদি মেনোপজের ঠিক আগের পর্যায়ে শরীরে ইসট্রোজেন বা প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যায় বা একদমই নিঃসৃত না হয়, তখন তাকে পেরিমেনোপজ বলা হয়। মেনোপজ হয় সাধারণত ৪৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। ৪৫ বছরের আগেই পেরিমেনোপজ হতে পারে। তাই অধিকাংশ চিকিৎসকের মতে, ৩৫ বছরের আগে সন্তান নেওয়া উচিত। এর পরে সন্তান ধারণক্ষমতা কঠিন হয়ে পড়ে।

৪. বংশগত কারণ
যদি আপনার মায়ের মেনোপজ আগে হয়, তবে আপনারও আগে থেকেই মেনোপোজ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। নারীরা জন্মায় কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক ডিম্বাণু নিয়ে এবং এই জিনিসটি বেশি হওয়া বা কম হওয়ার পেছনে জিনগত কারণও কাজ করে। এ রকম অনেক কিছুই নির্ভর করে বংশগত কারণে। গবেষকদের মতে, যদি পরিবারে দেরিতে সন্তান ধারণের ইতিহাস থাকে, তবে আপনারও দেরিতে সন্তান হতে পারে।

৬. মানসিক চাপ
গবেষণায় বলা হয়, যেসব নারী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকেন, তাঁদের সন্তান ধারণ ক্ষমতা Child capacity অনেক কমে যায়। কারণ, চাপ শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটায়। তবে চাপই এর একমাত্র কারণ নয়। গবেষকদের পরামর্শ, যেসব নারী সন্তান নিতে চাইছেন, তাঁদের চাপ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি শেখা খুব জরুরি।

৫. মদ্যপান
মদ্যপানে অভ্যস্ত নারীদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি থাকে অনেক। ২০০৪ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানীরা ১৮ বছর ধরে মদ্যপান করেন—এমন সাত হাজার নারীর ওপর গবেষণা করে দেখেন, তাঁদের সন্তান ধারণক্ষমতা অনেক কমে গেছে। তাই গবেষকদের পরামর্শ, যদি আপনি সন্তান নিতে চান, তবে অবশ্যই মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

৬. বেশি ব্যায়াম
ব্যায়াম করা আপনার শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং শক্তি দেয়। যখন আপনি সন্তান নিতে চাইবেন, এটি খুব জরুরি। তবে আপনি যদি অতিরিক্ত ব্যায়াম করেন, এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যাঁরা দিনে পাঁচ ঘণ্টার বেশি ব্যায়াম করেন, তাঁদের এ আশঙ্কা থাকে।

৭. থাইরয়েড সমস্যা
থাইরয়েড সমস্যা গর্ভধারণকে ব্যাহত করে। থাইরয়েড হলো এমন একটি গ্রন্থি, যা ঘাড়ের সামনের দিকে নিচের অংশে থাকে। এই থাইরয়েড থেকে অনেক হরমোন নিঃসৃত হয়। থাইরয়েডজনিত কোনো সমস্যা হলেও সন্তান ধারণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

৮. ক্যাফেইন
আপনি যদি প্রচুর পরিমাণ ক্যাফেইন জাতীয় জিনিস খান, এটি আপনার গর্ভধারণকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, যাঁরা দিনে পাঁচ কাপের বেশি কফি পান করেন, তাঁদের এ সমস্যা হয়। তাই সন্তান নিতে চাইলে কফিপান কমিয়ে দেওয়ার পক্ষেই মতামত গবেষকদের।

৯. যৌ’ন সমস্যা
যৌ’ন বাহিত রোগের কারণেও সন্তান ধারণ ক্ষমতা হ্রা’স পেতে পারে। যেমন : সিফিলিস, গনোরিয়া, প্রদাহ ইত্যাদি।

১০. স্বাস্থ্যগত সমস্যা
বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যার ফলে বন্ধ্যত্ব হতে পারে। পলিসাইটিক ওভারি সিনড্রোম, সিস্ট, এনডোমিটট্রিওসিস—এসব বিষয় অনেক সময় নারীর বন্ধ্যত্বের জন্য দায়ী। এ ছাড়া রিউমাটোয়েড আর্থ্রাইটিস অনেক সময় এর কারণ হয়। তাই এসব সমস্যা হলে আগে থেকে চিকিৎসা করাতে হবে, নয়তো সন্তান ধারণ করতে সমস্যা হতে পারে।

Check Also

রাতে ঘুমানোর আগে যে পানীয় ১ গ্লাস খেলে উ’ধাও মেদ-ভুঁড়ি!

দিনে দিনে আমাদের ব্যস্ততা যেন বেড়েই চলছে। কোন অবসর নেই আমাদের জীবনে! ঠিক ব্যস্ততার সাথে …