Home / এক্সক্লুসিভ / জানলে অবাক হবেন ২৫ বছর পার হবার পর যে ভ`য়ঙ্কর কাজ করে থাকেন মেয়েরা

জানলে অবাক হবেন ২৫ বছর পার হবার পর যে ভ`য়ঙ্কর কাজ করে থাকেন মেয়েরা

আমা’দের দেশের মেয়েদের রূপ যতটা সহজ, আবার ওদের মন বোঝা ঠিক ততটাই কঠিন। কারণ এরা কখন রেগে যায়, আর কখন ভালো মুডে থাকে, তা হলফ করে বলা যায়না।

তবে ১৮ থেকে ২০ বছরের মেয়েরা একটু লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এর খারাপ ফায়দাছেলেরা লুটে নেয়।সমীক্ষায় দেখা গেছে মেয়েদের ২০ বছর বয়সটা যতোটা না গু’রুত্বপূর্ণ তার থেকে বেশী গু’রুত্বপূর্ণ ২০-৩০ বছরের মধ্যবর্তী সময়টা।

কারণ সেই সময়ে তারা দুনিয়ার সবকিছু বুঝে উঠতে পূর্ণতা লাভ করে।এই সময়টাতে মেয়েরা নিজেদের সবচেয়ে বেশী যত্ন নেয়। তাই মেয়েদের ৩০ বছরের সময়কালটা বেশ গু’রুত্বপূর্ণ।আজ আপনাদের এমনকিছু কথা বলবো যেগু’লি আপনি মেয়েদের স’ম্পর্কে স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারবেন না।আসলে ৩০ বছর বয়সে মেয়েদের মধ্যেতাদের ছোটোবেলা ফুটে উঠে। আর তার আগে মেয়েরা বেশীরভাগ সিদ্ধান্ত ভেবে চিনতে নেয়না।

কিন্তু এই ৩০ বছর পর তারা সব কিছু ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।আর এই বয়সে তারা সব কিছু সামলে নিতে পারে কোন জিনিসের তাদের আর অসুবিধা হয় না।এইবয়সে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস সব থেকে বেশী বেড়ে যায়। আর এই বয়সে তারা অনেক ছোটো ছোটো জিনিস নিয়ে ঝগড়া করা ছেড়ে দেয় যেগু’লি তারা আগে করত।আর এই বয়স তারা তাদের ভুল গু’লি বুঝে সেগু’লিকে ঠিক করার কথা ভাবে। আসলে ৩০ নীচে তারানিজের সব ভুল লুকিয়ে থাকে, এড়িয়ে চলে।কিন্তু ৩০ বছর হওয়ার স’ঙ্গে তারা একদম পাল্টে যায়। তারা সবকিছু পারফেক্ট ভাবে করে থাকে। যা তাদের আচার আচরণ দেখলেই জ্ঞাত হওয়া যায়।

এই সাইড এ আরো জানুন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের গ’ঙ্গানন্দপুর গ্রামে বিয়ের দুই মাসের মাথায় এক তরুণীর (২০) ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই তরুণীর বাবা জানিয়েছেন, দুই মাস আগে তার মেয়ের বিয়ে হয় বড়গাঁ গ্রামে। বিয়ের দুই মাস পর তার স্বামী জানতে পারে স্ত্রীর পেটে ৭ মাসের সন্তান রয়েছে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে ওই তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, পরিবারের লোকজন চাপ সৃষ্টি করলে সে জানায় বিয়ের আগে তার একটি ছেলের সাথে স’ম্পর্ক ছিল। তার নাম মিটুল শেখ (২৪)। সে বাড়ি আলফাডা’ঙ্গা পৌরসভার হিদাডা’ঙ্গা গ্রামে মো. আক্কাচ শেখের ছেলে। সেই স’ম্পর্কের জের ধরে সে গ’র্ভবতী হয়। পরিবারের লোকজন ছেলেটির ঠিকানা নিয়ে তার পরিবারের কাছে সব কিছু খুলে বলে।

জানা গেছে, পরে উভয়পক্ষের অভিভাবকরা শেখর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যার নিকট আসেন। তাৎক্ষণিক বৈঠক বসিয়ে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কাজী শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি সহস্রাইলে বিয়ে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে কাজী শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা ও ছেলে-মেয়ের অভিভাবকরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে দিয়ে বিয়ে পড়িয়েছে। মো. ইস্রাফিল মোল্যা বলেন, ছেলে স্বীকার করেছে ওই তরুণীর পেটে তার সন্তান। তাই উভয়পক্ষের অভিভাবকরা আমার কাছে এসে বিয়ের কথা বলেছে এবং তাদের সম্মতিক্রমেই বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ওই মেয়ে মিটুল শেখের (স্বামী) বাড়িতেই আছে।

Check Also

রাতে ঘুমানোর আগে যে পানীয় ১ গ্লাস খেলে উ’ধাও মেদ-ভুঁড়ি!

দিনে দিনে আমাদের ব্যস্ততা যেন বেড়েই চলছে। কোন অবসর নেই আমাদের জীবনে! ঠিক ব্যস্ততার সাথে …