Home / সারাদেশ / যে কারণে আওয়ামী লীগে বাড়ছে ক্ষোভ-অসন্তোষ

যে কারণে আওয়ামী লীগে বাড়ছে ক্ষোভ-অসন্তোষ

করো’না মো’কাবেলায় সরকারের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আওয়ামী লীগের কিছু ব্যক্তির মধ্যে ক্ষো’ভ, অ’সন্তো’ষ তৈরি হচ্ছে। আওয়ামী লীগের মাঠ পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে সিনিয়র নেতারা বলছেন যে, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা এবং কিছু মন্ত্রী-এমপি সরকারের বিরু’দ্ধে স্যাবোটাজ করছে এবং সরকারের জনপ্রিয়তা ন’ষ্ট করার জন্য কাজ করছে।

এই বিষয়গুলো নিয়ে গো’পনে কথা হলেও এইগুলো এখন আর গো’পনীয় নেই। প্রকাশ্যে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা হচ্ছে, স’মালো’চনা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ইতিমধ্যে এই স’মালো’চনায় প্রকাশ্য হয়েছেন।

তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্যের পরেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক করো’না আরো ২/৩ বছর থাকবে- এমন বক্তব্যের জন্যে দুঃ’খ প্রকাশ করেন।

দুঃ’খ প্রকাশ করলেও তিনি ঐ বক্তব্যটি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্র’ত্যাহার করেছে বলে জানা যায়নি।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ক্ষো’ভ প্র’কাশ্য হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের এমপি শামীম ওসমান প্রকাশ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স’মালো’চনা করেছেন। তিনি বলেছেন যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দা’য়িত্ব’হীন আ’চরণ করছে।

আওয়ামী লীগের আরেক এমপি একরামুল হক চৌধুরীও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দু’র্নী’তিবা’জদের সি’ন্ডিকেট রয়েছে বলে প্রকাশ্যে অ’ভিযোগ করেছেন এবং এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন।

আওয়ামী লীগের আরেক নেতা আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম বলেছেন যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোন কাজ করছে না, স্থবির হয়ে আছে। তাঁরা যদি ঠিকভাবে কাজ না করে তাহলে করোনা পরিস্থিতি মো’কাবেলা করা ক’ঠিন হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের আরেক নেতা সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেছেন যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কিছু অপদার্থ বসে আছে তাঁরা দায়ি’ত্বজ্ঞা’নহী’ন আচরণ করছে।

এসমস্ত বক্তব্যগুলো আগে গো’পনে হতো, এখন প্রকাশ্যে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, তাঁরা মনে করছেন এটা শুধু ব্য’র্থতা নয়; বরং সরকারের বিরু’দ্ধে প’রিকল্পিত ষ’ড়য’ন্ত্রের অংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যারা আছেন তাঁরা সরকারকে বি’পদে ফেলার জন্য পরিক’ল্পিত ষ’ড়য’ন্ত্রের এ’জেন্ডা বাস্তবায়বন করছে। তাঁরা এটাও মনে করছেন যে, যদি তাঁরা ষ’ড়য’ন্ত্র না করতো তাহলে একের পর এক এরকম ভু’ল করতেন না।

বাংলাদেশে করো’না সং’ক্রম’ণ শুরু হওয়ার পর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ক’র্মকা’ণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে স’মালো’চনা হচ্ছে এবং এই ষ’ড়য’ন্ত্রগুলো হচ্ছে মূলত ভু’ল সিদ্ধান্ত, ভুল পদক্ষেপ এবং দায়ি’ত্বজ্ঞা’নহীন আচরনের জন্য।

আগে এই স’মালোচ’নাগুলো বাইরে হলেও এখন এগুলো প্রকাশ্যে দলের ভেতরে হচ্ছে।* *শুধু এমপি বা মাঠের নেতারা নন, আওয়ামী লীগের একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, তারাও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে বির’ক্ত এবং তাঁরা মনে করছেন যে, সরকারকে বি’ব্রত’কর পরিস্থিতিতে ফেলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কিছু ব্যক্তি।

আওয়ামী লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বলেছেন যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সম্পর্কে যে সমস্ত তথ্য পাচ্ছি তা অত্যন্ত উ’দ্বেগ’জ’নক এবং তিনি আসলে কার পক্ষে কাজ করছেন সেটা নিয়ে জনমনে যেমন প্রশ্ন আছে, তেমনি আমাদের মনেও প্রশ্ন আছে।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন, আমরা আগে মনে করতাম যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বোধহয় নতুন পরিস্থিতির জন্যে ব্য’র্থ হচ্ছে। তবে এখন দেখছি যে, তাঁরা যা কিছু করছে তা ইচ্ছেকৃত ভাবে করছে এবং এটা প’রিকল্পিত ষ’ড়য’ন্ত্রের অংশ। সেই নেতা মনে করেন যে, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা রয়েছে

এবং দেশকে তিনি যে জায়গায় নিয়ে গেছেন তা বি’ষ্ময়কর। এই জনপ্রিয়তা ন’ষ্ট করার জন্য যখন সব ষ’ড়য’ন্ত্র ব্য’র্থ হয়েছে তখন বাংলাদেশে বিএনপি-জামাতের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারের ভেতরে একটি অংশ করো’না ষ’ড়য’ন্ত্র করছে বলে তাঁরা মনে করেন।

তাঁরা আরো মনে করেন যে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই সমস্ত ষ’ড়য’ন্ত্রের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন এবং এই বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর নজরে এনেছেন। আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করেন যে, শেখ হাসিনা সবকিছু জানেন এবং দেখছেন। নিশ্চয়ই তিনি যথা সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।*

Check Also

গোলাম সারোয়ার সাঈদীর মা’রা গেলেন কিন্তু কিছু কাজ থেকেই গেল!

কসবার আড়াইবাড়ি আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ, পীরসাহেব গোলাম সারোয়ার সাঈদী (৫২) ই;ন্তে;কা;ল করে;ছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া …