Home / এক্সক্লুসিভ / মেয়ে’দের যৌ’নতা বুঝে নিন ১২টি ইশা’রায়

মেয়ে’দের যৌ’নতা বুঝে নিন ১২টি ইশা’রায়

নারী মনের রহ’স্য উ’দ্ধার করতে পারেননি আচ্ছা আচ্ছা মুনিঋষি। তারা কী চায়, পুরুষের জানা ক’ম্য নয়। ফলে নারীর মনে যৌ’নতা নিয়ে কী কী ধারণা, ইচ্ছে, অনিচ্ছে জেগে ওঠে সেও জানা এক প্রকার দু’ষ্কর। তাই মু’শকিল আসানে কয়েকটি টিপস্ দিলাম। জেনে নিন নারী কিছু যৌ’ন ইশারা-১.নারী মনে যৌ’নতা জাগলে সে বার বার তার পছন্দের পুরুষকে ছোঁয়ার চেষ্টা করে।

২. প্রাণের পুরুষের ঠোঁটে আইসক্রিম,কফি বা অন্য কোনও খাবার লেগে থাকলে পরিষ্কার করে দেয়।৩.খুব অ’ন্তর’ঙ্গ হয়ে গায়ে ঘেঁষে বসার চেষ্টা করে।৪. বাইকের পিছনে বসে প্রাণের পুরুষকে জাপটে ধরে।৫. খুব উ’ত্তেজক কোনও পোশাক পরে হাজির হয় পছন্দের পুরুষের সামনে।৬. কথা বলতে বলতে পুরুষের চুলে আঙুল দিয়ে বিলি কেটে দেয়।

৭. যৌ’নতা নিয়ে সরাসরি কিছু প্রকাশ না করতে পারলেও, সেই সং’ক্রা’ন্ত আলোচনা করে পছন্দের পুরুষের স’ঙ্গে।৮. এতটা খোলাখুলি না হলেও, দু’রকম মানে হয় এমন কথা বলে।৯.বার বার গালে, হাতে বা কপালে চু’মু খায়।১০. রোম্যান্টিক আলোচনায় মেতে উঠে। আলোচনার বি’ষয়বস্তু নরম থেকে গরম হয়ে উঠতে পারে।১১.পছন্দের পুরুষের সঙ্গে একান্তে রাত কাটাতে চায়।১২. পুরুষের পোশাক ও চেহারা নিয়ে বারংবার প্রশংসা করে।

আরো পড়ুন যৌ,ন উ’ত্তেজক ট্যা’বলেট গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা,উ,ত্তেজক ট্যাবলেট বর্তমানে দেশজুড়ে ইয়াবা নামক এক ধরনের যৌ… উত্তেজক ওষুধ সেবনের প্রবণতা বেড়ে গেছে বলে প্রায়ই সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের খবরের শিরোনাম হচ্ছে।সত্যিকথা বলতে কি, এসব ওষুধ জীবন শুধু ধ্বংসের দিকেই ঢেলে দেয়, সুখকর কিছু দেয় না।সুখকর দাম্পত্য জীবনের জন্য যৌ’নবি ষয়ক জ্ঞান রাখা সব নারী-পুরুষের একান্ত প্রয়োজন।কারণ সামান্য ভুলের মাসুল গুনতে হতে পারে সারাজীবন।যেসব পুরুষ বা নারী শখের বশে বা নিয়মিত সহবাসের আগে যৌ’ন উত্তেজক ওষুধ, যেমন ইয়াবা, ভায়াগ্রা বা অন্য

কোনো ধরনের ট্যাবলেট সেবন করেন, তাদের জন্য এ ওষুধগুলোই এক সময় দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে হুমকির কারণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।কারণ এ ধরনের ওষুধ ধ্বজভঙ্গ রোগের দিকে ঠেলে তো দেয়ই, কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়।অনেকেরই হয়তো অজানা, যৌ’নশক্তি বাড়াতে কোনো ওষুধ সেবনের প্রয়োজন নেই।ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসকরা কিছুদিন ওষুধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন। গবেষণায় দেখা গেছে,

পুরুষরা পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমেই যৌ’নশক্তি পেয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে মধু, খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অতিগুরুত্বপূর্ণ।ডিমের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধ প্রাধান্য দিতে পারেন।তবে হোমিওপ্যাথি কিছু ওষুধ আছে, যা কাজে এ ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। যারা নিয়মিত যৌ’ন উত্তেজক বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করে থাকেন, তারা ক্রমে এসবের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।পরিণামে কোনো

কোনো পুরুষ পুরোপুরি যৌ’নক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েন। একটা সময় পরে ওই ওষুধগুলো শরীরে আর কাজ করে না।একই সঙ্গে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হয়।

এদিকে,সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পুরুষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন কষ্ট নারীর মন জয় করা। তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়। এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক। এক নজরে দেখে নিন ৫টি টিপস যেটা মেনে চললে পছন্দের নারী সঙ্গিনী পাগলের মত ভালবাসতে চায়-১) ফিটফাট থাকুন:নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন

বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ।

হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।২) নিজের রুচি তুলে ধরুন:দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বিষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে

নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।৩) মুখে হাসি ফোটান:

রসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো

Check Also

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন …