Home / Daily Health Tips / করোনা প্রতিরোধে দারুণ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি বললেন ড. বিজন কুমার শীল।

করোনা প্রতিরোধে দারুণ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি বললেন ড. বিজন কুমার শীল।

করোনা প্রতিরোধে দারুণ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি বললেন ড. বিজন কুমার শীল। নিমপাতা বেটে সবুজ রসেকরোনা প্রতিরোধে দারুণ কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি বললেন ড. বিজন কুমার শীল। নিমপাতা বেটে সবুজ রসের সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে…র সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে…বিশ্বব্যাপী মহামা’রি করো’না ভাই’রাসের সংক্রমণে পুরো মানবজাতিই এখন চরম বিপর্যয়ে। বাংলাদেশও এই মহামা’রির আ’ঘাতে বিপর্যস্ত। প্রতিদিন বাড়ছে আ’ক্রান্ত ও মৃ’তের সংখ্যা।

প্রা’ণঘাতী এ ভাই’রাস থেকে রক্ষা পেতে আতঙ্কিত না হয়ে হাতের নাগালেই পাওয়া যায় এমন কিছু পদ্ধতি ও ওষুধ গ্রহণের উপায় জানিয়েছেন বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমা’র শীল।

অণুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন কুমা’র শীল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‌্যাপিড ডট ব্লট কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান বিজ্ঞানী। ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানোর জন্য পিপিআর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে ডেঙ্গুর কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কারকও ড. বিজন। যা সিঙ্গাপুরে তার নামেই প্যাটেন্ট করানো। ২০০৩ সালে তিনি সার্স ভাই’রাসের কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কার করেছিলেন। এটাও তার নামে প্যাটেন্ট করা।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সার্স ভাই’রাস প্রতিরোধে সিঙ্গাপুর সরকারের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। বর্তমানের করো’না ভাই’রাস (কোভিড-১৯) মূলত সার্স-২ ভাই’রাস। সার্সের ভ’য়াবহতার কথা মনে করে মানুষ যেন আতঙ্কিত না হয় সেজন্য বিজ্ঞানীরা কোভিড-১৯ নামকরণ করেছিলেন।

প্রচারবিমুখ ড. বিজন কুমা’র শীল একান্ত সাক্ষাৎকারে করো’না ভাই’রাস থেকে বাঁচতে কয়েকটি সহ’জ পদ্ধতি অনুসরণের কথা উল্লেখ করেছেন। তার সহ’জ ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো তুলে ধ’রা হলো:

করো’নাকে অঙ্কুরে বিনাশ করাই সব থেকে ভালো উল্লেখ করে অণুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন কুমা’র শীল বলেন, দু’টি পথ খোলা রয়েছে- একটি হচ্ছে করো’না ভাই’রাস আ’ক্রান্ত না হতে চাইলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বিধি বিধান মেনে চলতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ জাতীয় খাবার পেয়ারা, লেবু, আমলকি অথবা ভিটামিন ‘সি’ ট্যাবলেট খেতে হবে। এর সঙ্গে সম্ভব হলে প্রতিদিন রাতে একটি জিঙ্ক ট্যাবলেট খাবেন। এগুলো করো’না বি’রুদ্ধে প্রতিরোধে খুব ভালো কাজ করে।

ভিটামিন ‘সি’ এবং জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সতেজ, সজীব রাখে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আরেকটি হচ্ছে কেউ যদি আ’ক্রান্ত হন, যেমন গলাব্যথা, শুকনো কফ ছাড়া কাশি, কাশি হবে কিন্তু কফ বের হবে না। এটা করো’না ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণ। অন্য ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আ’ক্রান্তদের হাঁচি, সর্দি ও নাক দিয়ে পানি পড়ে। তবে করো’না ভাই’রাস শুকনো কাশি দিয়ে শুরু হয়।

এক্ষেত্রে সহ’জ পদ্ধতি হচ্ছে বেশি কড়া না হালকা রং চা বারবার খাওয়া, গরম পানি দিয়ে গারগেল করা। এর চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে আদা, লবঙ্গ ও একটা গোলম’রিচ পানি মিশিয়ে গরম করলে কালোমতো একটা রং হবে। এর সঙ্গে সামান্য মধু বা চিনি দিয়ে চায়ের সঙ্গে খেলে অথবা এই পানি দিয়ে গারগেল করতে হবে।

এর ফলে গলায় যে ভাই’রাসগুলো থাকে সেগুলো মা’রা যায়। এছাড়াও গলায় গরম লাগার ফলে র’ক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। রং চায়ের মধ্যে কিন্তু আবার এন্টিসেপ্টিক গুনাগুণও রয়েছে। বারবার শুকনো কাশির ফলে গলার টিস্যু ফেটে যেতে পারে। চা এই ইনফেকশন রোধ করে।

আপনার জ্বর হোক বা না হোক এই মুহূর্তে আমাদের সবার উচিত সকালে ঘুম থেকে উঠে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায় গারগেল করা। এরফলে শরীরে যদি ভাই’রাস ঢোকেও তাহলে সেটা আর বাড়তে পারবে না। এটা শুধু করো’না ভাই’রাস না আরও অনেক ইনফেকশনকে রোধ করতে পারে। কেউ যদি এটা প্রতিদিন করতে পারে, তাহলে তার আ’ক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

তিনি আরও বলেন, করো’না ভাই’রাসের কারণে যদি কখনও কারও পেটের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে নিমপাতা বেটে সবুজ রসের সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকালে এবং রাতে খেলে তার পেটের ইনফেকশন কমে যাবে, সে অনেক ভালো থাকবে। এ সময় এমন রোগীকে এন্টিবায়োটিক খাওয়ালে অনেক সমস্যা হয়।

করো’না ভাই’রাসের এই দু’র্যোগকালীনও যাদের বাইরে কাজ করতে হয়, যেমন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যদের করণীয় সম্বন্ধে জানতে চাইলে ড. বিজন কুমা’র শীল বলেন, করো’না ভাই’রাস শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেইতো আর আক্রমণ করে না। সময় নিয়ে আসতে আসতে শরীরের মধ্যে বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে বাসায় ফিরে গরম পানি পান করা, এক কাপ হালকা রং চা খাওয়া, নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নেওয়া, পানির মধ্যে এক ফোঁটা মেন্থল দিলে আরও ভালো হয়। তাহলে নাকটা আরও ভালোমতো পরিষ্কার হয়ে যাবে ভাই’রাস ঢুকলেও শরীরের মধ্যে বাড়তে এবং সুবিধা করতে পারবে না।

Check Also

প্র’বাসীর লা’গা’তার স’হবা’সে জী’বন হা’রা’লো নুর নাহার!

বি’য়ের ৩৪ দিনের মাথায় মা’রা যাওয়া টাঙ্গাইলের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী নুর নাহারের (১৪) লা’শও …