Home / Daily Health Tips / কোভিড- ১৯ হলে গলা ব্যথা কমানোর উপায়

কোভিড- ১৯ হলে গলা ব্যথা কমানোর উপায়

করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাধারণ ফ্লু’র মতোই জ্বর, ঠাণ্ডা কাশি দিয়েই শুরু হয়। এরপর গলা ব্যথা, ডায়রিয়া কোভিড-১৯ এর অন্যতম উপসর্গ।

করোনাভা’ইরাসের উ’পসর্গ গলা ব্যথা সারাতে তেমন কোনো প্রতিষেধক নেই। তাই ঘরোয়া উপায়েই ভরসা রাখুন। জেনে নিন গলা ব্যথা হলে কি করবেন-

> এজন্য গরম পানিতে আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে বারবার পান করুন। এতে আপনার সর্দি এবং গলার চুলকানিও কমবে।
> লবণ পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দিনে ৪ থেকে ৫ বার লবণ পানি দিয়ে গার্গেল করতে থাকুন। সঙ্গে মাউথওয়াশ মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে আপনার গলার ইনফেকশন দূর হবে।

> যষ্টিমধু খেতে পারেন। মুখে এক টুকরো যষ্টিমধু দিয়ে চিবিয়ে রসটুকু খেয়ে নিন।
> অ্যাপেল সিডার ভিনেগার হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। চাইলে সামান্য মধু মেশাতে পারেন।

তবে শুধু ঘরোয়া উপায়ে ভরসা করে থাকবেন না। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোভিড- ১৯ হলে ঘাবড়ে না গিয়ে শান্ত থাকুন। বেশি বেশি ভিটামিন সমৃদ্ধ এবং গরম ও তরল খাবার খান।

যে ব্যক্তি এই সূরা প্রতি রাতে পাঠ করবেন তাঁকে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না’ – ইনশাআল্লাহ

অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকী’রের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-

→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অ’সুখটা কি?
→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমা’র পাপসমূহই আমা’র অ’সুখ৷
→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?
→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমা’র পালনক’র্তার রহমত কামনা করি৷
→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?
→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷

আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷

হ’জরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্প’র্শ করবে না। হ’জরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মে’য়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈ’মান-২৪৯৮]

ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোম’রা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হ’জরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।

তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হ’জরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অ’তি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন

Check Also

প্র’বাসীর লা’গা’তার স’হবা’সে জী’বন হা’রা’লো নুর নাহার!

বি’য়ের ৩৪ দিনের মাথায় মা’রা যাওয়া টাঙ্গাইলের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী নুর নাহারের (১৪) লা’শও …