Home / Life Stile / এই গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলে যা অবশ্যই করা উচিৎ

এই গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলে যা অবশ্যই করা উচিৎ

গরম পড়েছে বেশ। শরীরটা ঘেমেনেয়ে একাকার। বিরক্ত লাগছে, আবার খানিকটা দুর্বলও। ঘাম কিন্তু স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। ঘামের মাধ্যমে শরীর বাড়তি তাপ হারিয়ে শীতল হয়। তাই ঘাম উপকারী। তবে কারও কারও স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বা সামান্য পরিশ্রমেও অতিরিক্ত ঘাম হতে দেখা যায়। মানসিক উত্তেজনা, রাগ, ভয়, উদ্বেগের কারণে ঘাম বেড়ে যেতে পারে। অতি উদ্বেগের রোগীদের হাত-পায়ের তালু বেশি ঘামে।

দেখুন সতর্কতাঃ
: অতিরিক্ত গরমে বা রোদে বেশি ঘেমে গেলে মাথা ঘোরে, শরীর দুর্বল লাগে, ঝিমঝিম করে। পানি ও লবণ বেরিয়ে যায় বলে এমন লাগে। তাই বেশি ঘামলে যথেষ্ট পানি, স্যালাইন পানি, ডাবের পানি পান করুন।

: উদ্বেগজনিত সমস্যা থাকলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন। পরীক্ষা বা কোনো দুশ্চিন্তায় বেশি ঘামা, হাত-পায়ের তালু ঘামা উদ্বেগের লক্ষণ। সঙ্গে বুক ধড়ফড়ানি থাকতে পারে। মনে রাখবেন থাইরয়েড সমস্যায় প্রায় একই ধরনের উপসর্গ হয়। তাই থাইরয়েড হরমোন পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

: ওজন কমান। স্থূল ও আনফিট ব্যক্তিরা সহজেই অল্প পরিশ্রমে ঘেমে ওঠেন। ফিট থাকার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
: যারা বেশি ঘামেন তাঁরা চা-কফি কম পান করবেন। অ্যালকোহলও। কোনো ওষুধ থেকে হচ্ছে কি না খেয়াল করুন।
: ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে—এটা অনেকেই খেয়াল করেন না। জ্বর আছে কি না তাই মেপে দেখুন। অতি গরমে হালকা সুতির কাপড় পরুন। বেশি মসলা ও চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না। শিশুরা একটু বেশিই ঘামে। তাদের বেশি জবরজং কাপড় পরাবেন না। ঘামে ভেজা কাপড় দ্রুত পাল্টে দেবেন।
গরম দুধে এক চামচ মধু, তারপরই ম্যা’জি’ক!…

বহুকাল আগে থেকেই দু’ধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান। দু’ধের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি। রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রাণিজ প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিড। দু’ধ ও মধু যখন একসঙ্গে মেশানো হয়, এটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে।

জেনে নিন দু’ধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে কী কী উপকার পাবেন !
মানসিক চাপ কমায়
গরম দু’ধ ও মধু একসঙ্গে খেলে স্নায়ুর ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ বেশি থাকলে দিনে দুবার এই মিশ্রণ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ঘুম ভালো করে
দু’ধের মধ্যে মধু মিশিয়ে ঘুমের এক ঘণ্টা আগে খেলে এটি মস্তিষ্কের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। মধু মস্তিষ্ককে শিথিল করে এবং ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

হজম ভালো করে
পেট ফোলা ভাব বা হজমের সমস্যা হলে গরম দুধ ও মধুর মিশ্রণ খেয়ে দেখতে পারেন। এটি পাকস্থলী থেকে গ্যাস বের করে দিতে সাহায্য করে এবং পেট ব্য’থা কমায়।

হাড়ের জন্য ভালো
দু’ধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। আর মধুর মধ্যে রয়েছে রো’গ নিরাময়কারী উপাদান। তাই দুধ ও মধুর মিশ্রণ হাড়ের জন্যও ভালো। এটি হাড়কে শক্তিশালী করে এবং ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।

শক্তি বাড়ায়
সকালবেলা গরম দুধের মধ্যে মধু মিশিয়ে খেলে কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সারা দিন শ’রী’রের শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

পাকস্থলীর সং’ক্র’মণের সঙ্গে লড়াই
মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান পাকস্থলীর সং’ক্র’মণের সঙ্গে ল’ড়া’ই করে। তাই পাকস্থলী ভালো রাখতে এই মিশ্রণ খেতে পারেন।

তারুণ্য ধরে রাখে
মধু ও দু’ধের মিশ্রণ খাওয়া বার্ধক্যের আগমনকে ধীর করে। তারুণ্য ধরে রাখার জন্য এই খাবার শতবর্ষ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

মনোযোগ বাড়ায়
মধু মস্তিষ্কে ভালো প্রভাব ফেলে। আর দু’ধ মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। দু’ধ ও মধুর মিশ্রণটি মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।

Check Also

বিয়ের দিন মেয়েরা জা নিয়ে চিন্তায় থাকে

বিয়ে নিয়ে ছেলে মেয়ে উভয়েরই চিন্তা বা টেনশন থাকে তু’ঙ্গে। জীবনের প্রথম একটি বড় পদক্ষে’প …