Home / Uncategorized / স্ত্রীকে যে কথাগুলো কখনোই বলা উচিত নয়!

স্ত্রীকে যে কথাগুলো কখনোই বলা উচিত নয়!

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক যে সব সময় থাকবে কিন্তু নয়। মাঝে মধ্যে মনোমালিন্য হবেই। তাতে সম্পর্কের গভীরতা আরো বেড়ে যায়। তবে রাগের বশে এমন কিছু কথা থাকে যা স্ত্রীকে বলা মোটেও ঠিক নয়।এতে সম্পর্ক ভালো তো হয়-ই না বরং আরো খারাপ হয়ে যায়। তাই জেনে রাখা জরুরি ঠিক কোন কথাগুলো স্ত্রীকে বলা ঠিক নয়- সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে তুলনা করা স্ত্রীকে কখনই বলবেন না যে, আপনার সাবেক প্রেমিকা তার থেকে ভালো ছিল। এই কথাটি আপনার স্ত্রীকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়ে থাকে।

কারণ নিজের পরিবারের মায়া কাটিয়ে সে আপনার পরিবারকে আগলে রাখছে। সেখানে আপনার এই ধরনের কথায় তার মন এবং ভরসা দুটিই ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই রাগ সংযত করুন।সবসময় তুমি এটাই করো কথায় কথায় তুমি সবসময় এইটা করো বা এইটা করো না, এই রকম কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।

যদি সত্যিই স্ত্রীর কোনো বিষয়ে আপনি কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তাকে অন্যভাবে বলুন। এতে রেগে না যেয়ে সে তার ভুল বুঝতে পারবে।তুমি ঠিক তোমার মায়ের মতো প্রতিটি সন্তানই চায় সে যেন ঠিক তার মা-বাবার মতো হয়। তবে আপনি যদি নেতিবাচক অর্থে তাকে বলেন, তুমি ঠিক তোমার মায়ের মতো! তবে কথাটি তার মধ্যে কষ্টের পাশাপাশি ক্ষোভেরও সৃষ্টি করে।

যার ফলাফল খুব একটা ভালো হয় না। তাই আই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।অন্য কোনো মেয়ের প্রশংসা করা কখনোই স্ত্রীর সামনে বা তার সঙ্গে অন্য কোনো মেয়ের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা করবেন না। এই বিষয়টি আপনার স্ত্রীর জন্য খুবই কষ্টকর হয়। কারণ প্রতিটি স্ত্রী-ই চায় তার স্বামীর চোখে একমাত্র সে নিজেই সুন্দর থাকুক।

তাই নিজের স্ত্রীর প্রশংসা করুন।তোমাকে সুন্দর লাগছে না সংসারের নানা ব্যস্ততার কারণে হয়তো আপনার স্ত্রী নিজের দিকে একটু কম খেয়াল রাখছে। তাই তাকে একটু এলোমেলো লাগতেই পারে। এসন বিষয়গুলো একটু এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কখনোই তাকে বলতে যাবেন না যে, তাকে সুন্দর দেখাচ্ছে না। এতে সে মনে কষ্ট পাবে ও তার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসও কমে যাবে। সঙ্গে হারাবে আপনার প্রতি আস্থাও।

যাদের বোন আছে- নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিদায় নিয়েছে ঘরভর্তি শি’শুর হৈ-হুল্লোড় করে বেড়ে ওঠাও। এখন প্রায় সব বাসায়ই একটি কি দুটি শি’শু। পরবর্তী প্রজন্ম বেড়ে উঠছে অনেকটা নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করে। ভাইবোনের খু’নসুটি, খেলনা কিংবা খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ির স্মৃ’তি তাদের নামের পাশে জমা হচ্ছে না।

এদিকে কন্যা সন্তান নিয়ে মন খা’রাপ করার কুপ্রথা অনেকটা কমলেও, পুরোপুরি এখনও কমেনি। এখনও বেশিরভাগ বাড়িতেই একের অধিক কন্যাশি’শু হলেই মন খা’রাপের ঢল নামে যেন। কোনো কোনো সংসারে তো অশান্তিও দেখা দেয়। বদলে যাওয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এক সন্তান নীতি লাভজনক হলেও আপনার একমাত্র সন্তানের জন্য তা মোটেও লাভজনক নয়।

ভাই বা বোনের সঙ্গে বেড়ে ওঠা একটি শি’শুর জীবনে অত্যন্ত আনন্দদায়ক বলে জানাচ্ছে গবেষণা। তার মধ্যেও বিশেষ ভাবে বিজ্ঞানীরা বলছেন বোন থাকার কথা। ছেলে হোক বা মেয়ে, তার যদি একটি বোন থাকে তো সেই জীবনের আনন্দই আলাদা বলে গবেষণায় প্রকাশ। তাই এখনও কন্যা সন্তান জন্ম নিলে যাদের দুঃখের শেষ থাকে না, তারা দেখে নিন যে আপনার মেয়ে আপনাকে কতভাবে সাহায্য করতে পারে।ছোটবেলা থেকে বড় হয়ে উঠেও বোন সবচেয়ে কাছের বন্ধু হতে পারে।

নিজের বোন থাকলে সেই শি’শুর মধ্যে মায়া-মমতা ও ভালোবাসার মতো গুণ সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায়। ম্যাচিওরিটিও তাড়াতাড়ি আসের বোনের প্রভাবে। এমনটাই বলছেন বিজ্ঞানীরা।৩৯৫টি পরিবারের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন ব্রিংহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। এমনকি ভাই-বোনের মধ্যে ঝগড়াও মানসিক বিকাশের জন্য অ’ত্যন্ত উপযোগী বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

Check Also

মন্ত্রীসভায় রদবদল,সবাইকে অবাক করে যারা হচ্ছেন নতুন মন্ত্রী

প্রাণঘা’তী করো’না ভাই’রাস ম’হামা’রির মধ্যেই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। চলতি বাজেট অধিবেশন শেষে যেকোনো …