Home / Uncategorized / গর্ভাবস্থায় Diabetes! হলে কী করবেন?

গর্ভাবস্থায় Diabetes! হলে কী করবেন?

প্রিম্যাচিওর বেবি হওয়ার সম্ভাবনা যেমন থাকে তেমনি মা ভুগতে পারেন তেমনি গ্যাস্টেস্টোনাল ডায়াবেটিসে।গর্ভাবস্থায় Diabetes অনেক মহিলারই হয়। সুগারের ধাত থাকুক বা না থাকুক অনেকেরই এই সময় সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। এই সময় প্যানক্রিয়াজে অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি হওয়ায় ওজন বেড়ে যায় মা এবং গর্ভস্থ সন্তানের। ফলে, প্রিম্যাচিওর বেবি হওয়ার সম্ভাবনা যেমন থাকে তেমনি মা ভুগতে পারেন তেমনি গ্যাস্টেস্টোনাল ডায়াবেটিসে। কী করলে বশে থাকবে এই সমস্যা? জেনে নিন—-
কেন হয় এই সময়?

এই সময় মহিলাদের শরীরে ব্লাড সুগারের মাত্রার তারতম্য ঘটে। অনেকেরই এই সময় সুগার বেড়ে যায়। তার থেকে বাড়ে ওজন। সম্ভাবনা তৈরি হয় গ্যাস্টেস্টনাল ডায়াবেটিসের। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না হলে গর্ভস্থ বাচ্চাও ভবিশ্যতে এই রোগে ভুগতে পারে।
Diabetes In Pregnancy: হলে কী করবেন?
প্রিম্যাচিওরড বেবি হওয়ার আশঙ্কা

গর্ভাবস্থায় প্যানক্রিয়াজ বেশি করে ইনসুলিন তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু সেই ইনসুলিন সুগারের মাত্রা কমাতে পারে না। উপরন্তু এই বাড়তি ইনসুলিন গর্ভস্থ শিশুর শরীরে জমা হতে থাকে মেদের আকারে। অতে শিশুর ওজম বেড়ে যায়। এবং সময়েই আগেই ভূমিষ্ঠ হয় সে।

ত্বকের বয়স বাড়তে দেবেন না, কীভাবে?
আটকাবেন কী করে?

পুষ্টি বিশেষজ্ঞকে দিয়ে খাদ্য তালিকা বানান। সুগার যেসমস্ত খাবার খেলে বাড়ে সেগুলো ডায়েটের বাইরে রাখুন। যে সমস্ত শাক-সবজি খেলে ইনসুলিন বাড়ে সেগুলো অই সময় বেশি করে খান।
Pregnancy In Diabetes:এই সময় সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়

– মিষ্টি খাবার বা পানীয় খাবেন না
– নিয়মিত ব্যায়াম করবেন
– চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিয়মিত ইনসুলিন নেবেন
– কার্বোহাইড্রেট বা চিনি যুক্ত খাবার খাবেন না।
অ্যাকনে

স্যালিসিক অ্যাসিডযুক্ত বা বেনজয়েল পারঅক্সাইড এবং রেটিনল কিন্তু গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করবেন না। বরং হাল্কা কোনও ক্লেনজার, ক্লিন্ডামাইসিন এবং আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ব্যবহারে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক কিরণ।

পিগমেন্টেশন

এই সমস্যা গর্ভাবস্থায় বহু মেয়েরই হয়। মেলাসমা (ত্বকে খয়েরি ছোপ) বা ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারানো গর্ভাবস্থার খুবই কমন একটি সমস্যা। ভিটামিন সি যুক্ত ক্রিম সকালে ও রাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো গর্ভাবস্থায় কোনও ক্ষতি করে না। অ্যাজেলাইক অ্যাসিড দাগ কমাতে এবং ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে খুবই কার্যকর। প্রয়োজনে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ব্যবহার করা যায়।স্যালিসিক অ্যাসিড এই সমস্যায় উপকারী বিবেচিত হয়
ছবি সৌজন্য: আই স্টক

ত্বকে র‍্যাশ

বহু মেয়েই ত্বকের র‍্যাশ বা একজিমা বা সোরাইসিসে আক্রান্ত হন গর্ভাবস্থায়। সে ক্ষেত্রে নিজে চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com

সাধারণত গর্ভাবস্থায় চুল বেশি বাড়ে, কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে তুল পড়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা যায়। এর কারণ হতে পারে ভিটামিনের অভাব। সঠিক ডায়েট এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ এর সমাধান করতে পারে।প্রজনন ক্ষমতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ইদানীং আমাদের জীবনধারাকে জুড়ছেন অনেকেই। নিরোধ ব্যবহার কনা করেও যৌন সঙ্গমের পরে প্রজনন বা বা গর্ভধারণ করতে না পারা বা এই অক্ষমতাকেই ইনফার্টিলিটি বা প্রজনন সমস্যা (Infertility) বলা হয়। আমাদের জীবনযাপনের নানা সমস্যা এবং অভ্যাস প্রজনন ক্ষমতা কমার নেতৃত্বস্থানীয় এক কারণ। আপনি যদি গর্ভধারণের ইচ্ছা রাখেন, তবে আপনাকে অবশ্যই জানাতে হবে যে আপনি যেসব কারণে গর্ভধারণ করতে পারবেন না তার মধ্যে

Check Also

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে যে হচ্ছেন শেখ হাসিনার পরে আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এলেই প্রথম যে প্রশ্নটি সামনে আসে তা হলো শেখ হাসিনার পর কে? …