Home / Uncategorized / যেভাবে ডিম্বাণু বিক্রি করেই মোটা অংকের আয় করছেন তরুণীরা!

যেভাবে ডিম্বাণু বিক্রি করেই মোটা অংকের আয় করছেন তরুণীরা!

যেভাবে ডিম্বাণু বিক্রি করেই মোটা অংকের আয় করছেন তরুণীরা!

যদিও অধিকাংশ বিবাহিত নারী ও পুরুষই মনে করে থাকেন যে, তারা সন্তান ধারণে সক্ষম। জানলে হয়তো অবাক লাগতে পারে, বাস্তবে প্রতি ১০ দম্পতির মধ্যে এক দম্পতির গর্ভধারণে সমস্যা রয়েছে।

যারা সন্তান চান কিন্তু সন্তান পান না, তাদের জীবনে বিষাদ, ক্রোধ, হতাশা দেখা দেয়। তবে এবার বন্ধ্যাত্ব মোকাবেলায় পথ দেখাচ্ছেন ‘ডোনেটর গার্লস’। বন্ধ্যাত্বের কারণে যেসব দম্পতি সন্তানসুখ থেকে বঞ্চিত হন, তাদের জন্যই নিজেদের ‘ডিম্বাণু ডোনেট’ করছেন বহু যুবতী।

বিভিন্ন ফার্টিলিটি ক্লিনিকে গিয়ে নিজেদের ডিম্বাণু ডোনেট করে আসছেন তারা। আর প্রতিবার ডিম্বাণু দেয়ার জন্য পাচ্ছেন ২০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা। তবে টাকার অংকই যে শুধু কারণ না বলে জানিয়েছেন ডোনেটর তরুণীরা। নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তানলাভে সাহায্য করাই তাদের উদ্দেশ্য।

ডোনেশন সাইটে নাম নথিভুক্ত করার পর নির্দিষ্ট ক্লিনিক থেকে যোগাযোগ করা হয় ডোনেটরের সঙ্গে। গাইনোকোলজিস্ট খতিয়ে দেখেন একজন ডোনেটরের বয়স, উচ্চতা, ব্লাড গ্রুপ ও পরিবারে কোন অসুখ-বিসুখ আছে কিনা। ডিম্বাণু ডোনেশনের জন্য ওই যুবতী শারীরিকভাবে কতটা সক্ষম, কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তা দেখে নেওয়া হয়।

একই সঙ্গে মনোবিদের সঙ্গে পরামর্শও চলতে থাকে। শরীর ও মন পুরোপুরি ডোনেশনের উপযুক্ত মনে হলে, ডাক্তার হরমোনাল ইনজেকশন দেন। যাতে বেশি সংখ্যায় ডিম্বাণু উৎপাদন হয়। তবে অনেক সময় এই ইনজেকশনের ফলেই বমি, মাথাঘোরা, মাথা যন্ত্রণা, খিটখিটে ভাব বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পাশাপাশি ডিম্বাণু ডোনেশনের ক্ষেত্রেও ‘গায়ের রংয়ের কারণে’ টাকার অঙ্কে ‘বৈষম্য’ লক্ষ্য করা যায়।

রাতে এই খাবারটি খেলে মেদ এক্কেবারে উধাও হয়ে যাবে

দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্ম আমাদের যেমন ব্যাস্ত রাখছে, পরিশ্রম করাচ্ছে, তেমনই একাধারে অলশ করে দিচ্ছে আমাদের। বর্তমানে আমরা কাজ ছাড়া আর কিছুই বুঝছিনা বা হয়তো সময় আমাদের কাজ ছাড়া আর কিছু বুঝতে দিচ্ছে না। প্রতিনিয়তই আমরা মানসিক পরিশ্রমের ফলে এতটাই ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি যে আমাদের আর অন্য পরিশ্রম করতে ইচ্ছে করছে না।

সারাদিনের পরিশ্রমের পর যে ক্লান্তি শরীরে বাসা বাঁধে সেই বাধা অতিক্রম করে মেদ ঝরানোর দিকে মন দিতে আমরা পারিনা। এখন সময় পাল্টেছে, আগেকার দিনে মানুষের পরিশ্রম ছিল দৌড়াদৌরি যুক্ত। অফিস কাছারিও ছিল তেমনি, সারাদিন বাইরে বাইরে এদিক ওদিক ঘুরতে হত।

যদি ঘরে বসেও কাজ থাকত তাতেও এক ঘর থেকে অন্য ঘরে কাগজ পত্র লেন দেনের ক্ষেত্রে হাঁটা চলা বা শারীরিক পরিশ্রম করতে হত। কিন্তু এখনকার গল্প অন্য, এখন চেয়ারে বসে বসেই কাজ হয়, এক বান্ডিল কাগজ একটা মেল করলেই পৌঁছে যায় ওপর তলার বসের কেবিনে।

মিটিং হয় ওয়েব ক্যামে, কলিগদের সাথে কথা হয় সেই চেয়ারে বসে বসেই, টিফিনের জন্যে বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ফোন করলেই তা চলে আসে টেবিলে। তাদেরকে ছেড়ে যারা রয়েছেন তাদের এখন বেশিরভাগের সময় কাটে বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে। সেখানে চোখের নিমেষেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়। পরিশ্রম হয় না কিছুই।

তাছাড়া অনেকের শারীরিক গঠনের জন্যে তাদের মোটা দেখতে লাগে। এই মোটা দেখতে লাগার কারন অবশ্য অনেক গুলো, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে শরীরে মেদের পরিমান বেড়ে যায়। অতিরিক্ত মেদ সঞ্চয় শরীর অনেক রকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

তাই মেদ সমস্যা এক বিশাল সমস্যা, আজকের এই জীবন যাত্রায় প্রায় প্রত্যেকটা মানুষের ভুরি আছে। বর্তমানে তাই রমরমিয়ে বাড়ছে জিম ব্যাবসা, প্ল্যানিং হচ্ছে ডায়েটের। কিন্তু এই দৈনন্দিন সেদ্ধ খেয়ে খেয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে শরীর।

তাই আপনাদের যাদের এই সমস্যা রয়েছে তাদের জন্যে রইল এই ছোট্ট টিপস – পরিমান মত পাতিলেবু, একটি শসা, আদাবাটা, পার্সলে পাতা আর জল মিশিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে সেই জুস অল্প করে খেতে হবে। রাতে শুতে যাওয়ার আগে তা পান করুন। এক সপ্তাহেই কমে যাবে ভুরি।

Check Also

মন্ত্রীসভায় রদবদল,সবাইকে অবাক করে যারা হচ্ছেন নতুন মন্ত্রী

প্রাণঘা’তী করো’না ভাই’রাস ম’হামা’রির মধ্যেই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। চলতি বাজেট অধিবেশন শেষে যেকোনো …