Home / Home Remedies / ফ্যাটি লিভার যদি না চান তবে খাবারে রাখুন এই সবজি!

ফ্যাটি লিভার যদি না চান তবে খাবারে রাখুন এই সবজি!

ফ্যাটি লিভার যদি না চান তবে খাবারে রাখুন এই সবজি!

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এর কারনে আমাদের শরীরের নানা রকম ক্ষতি সাধন হচ্ছে। তার মধ্যে নিজের অজান্তেই ক্ষতি হচ্ছে আমাদের লিভারের।

বর্তমানে লাইফস্টাইলের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ঘরে ঘরে। তবে ঘরোয়া উপায়েই এই রোগ সারানো যায়। নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার সারাতে ঘরোয়া কিছু উপাদানই যথেষ্ট।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, ক্রুসিফেরাস প্রজাতির সবজি যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, ইত্যাদিতে থাকা একটি প্রাকৃতিক উপাদান সাহায্য করবে এই সমস্যা সারাতে। এই প্রজাতির সবজিতে থাকা উপাদানটির নাম ‘ইনডোল’ যা চর্বিযুক্ত যকৃতের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সহায়ক।

আমেরিকার ‘টেক্সাস অ্যান্ড এম এগ্রিলাইফ রিসার্চ’য়ের ‘ফ্যাকাল্টি ফেলো’ চাওডং য়ু বলেন, “গবেষণার ভিত্তিতে আমাদের বিশ্বাস, যেসব স্বাস্থ্যকর খাবারে প্রচুর পরিমাণে ‘ইনডোল’ থাকে সেগুলো

এনএএফএলডি’ প্রতিরোধে এবং যাদের এই সমস্যা আছে তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে যে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিষেধন করা যায় এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা যায় তার আরেকটি উদাহরণ আমাদের এই গবেষণা।”

যকৃতের পেশির ভেতরে চর্বি ছড়িয়ে পড়লে ‘এনএএফএলডি’ দেখা দেয়, যার কারণ হতে পারে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টির অভাব, ‘স্যাচুরেইটেড ফ্যাট’য়ের মাত্রা বেশি হওয়া ইত্যাদি।

সঠিক চিকিৎসা করা না হলে এই সমস্যা ডেকে আনতে পারে প্রাণঘাতি যকৃতের রোগ যেমন- ‘সিরোসিস’ কিংবা ‘লিভার ক্যান্সার’।

১৩৭জন চীনা নাগরিকের উপর গবেষণা চালানো হয়। দেখা যায়, যাদের ‘বডি ম্যাস ইনডেক্স’য়ের মাত্রা বেশি, তাদের রক্তে ‘ইনডোল’য়ের মাত্রা থাকে কম। “শরীরের প্রতিটি কোষের ওপর ‘ইনডোল’য়ের প্রভাব নিয়েও কাজ করেন গবেষকরা।

যকৃতে কোষের চর্বি কমানোর পাশাপাশি অন্ত্রের কোষকে প্রভাবিত করে এই উপাদান, যা অন্ত্রের প্রদাহ সারাতে সহায়তা করে”, বলেন টেক্সাস অ্যান্ড এম হেলথ সায়েন্স সেন্টার’য়ের অধ্যাপক শ্যানন গ্লেসার।

তথ্যসূত্রঃ কোলকাতা ২৪x৭
ভরা পেটে স্নানের অভ্যাস কতটা ক্ষতিকর?
আমরা অনেকই ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত হোক খাবারের পর স্নান করি। অনেকেই অলসতার কারণে একেবারে দুপুরে খাওয়া-দাওয়া সেরে স্নানে যান।কিন্তু আমরা জানি না খাবারের পর স্নান করলে কি কি স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক…

খাবার হজমের জন্য শরীরের একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার প্রয়োজন। ওই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় আমাদের পরিপাক প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে ক্রিয়াশীল হয়। কিন্তু খাবার পরই স্নান করে নিলে।
শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। ফলে বিঘ্নিত হয় আমাদের হজম প্রক্রিয়াও। ফলে গ্যাস-অম্বল এবং বদহজম থেকে শুরু করে বুকজ্বালা ও বার বার চোঁয়া ঢেকুরের সমস্যা দেখা দেয়।

দীর্ঘদিন ধরে খাওয়ার পর স্নানের অভ্যাস ভবিষ্যতে হজমের গুরুতর সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এসব সমস্যা এড়াতে ত্যাগ করুন খাওয়ার পর স্নানের অভ্যাস।

এ ছাড়া, শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হঠাত পরিবর্তন ঘটলে তা আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করে। রক্তচাপের আকষ্মিক ওঠা-নামার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের সমস্যার ঝুঁকিও তৈরি হয়।

চিকিত্সকরাও তাই খাবার আগেই স্নান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর একান্তই যদি সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে, খাবার খাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা পর স্নান করুন আর আগাম সতর্কতায় সুস্থ থাকুন।

Check Also

রাতে বিছানায় সঙ্গীনির সাথে যে ১০টি মারাত্বক ভুল করে থাকেন ছেলেরা!

নারীর জন্য কাঙ্খিত ভালোবাসার পুরুষরা সহবাস নিয়ে প্রবল আগ্রহ থাকার পরেও বিছানায় গিয়ে তারা ব্যর্থতার …