Home / এক্সক্লুসিভ / শারীরিক সম্পর্কের আগে লাজে রাঙা হয়ে যাচ্ছ? একসাইটমেন্টে কী না হয়!

শারীরিক সম্পর্কের আগে লাজে রাঙা হয়ে যাচ্ছ? একসাইটমেন্টে কী না হয়!

সে'ক্সুয়াল কোনও কিছু দেখলে বা জানলে আমাদের হার্টবিট বেড়ে যায়, নিঃশ্বাসও অনেক ঘন-ঘন পড়ে, ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়। ফলে অনেকেরই গাল লাল বা শরীরের বিশেষ কোনও অঙ্গ লাল হয়ে যায়। মেয়েদের অনেকসময় বলে না লজ্জায় লাল, সেটা আসলে র'ক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ফলেই হয়।

ইন্টারকোর্স হচ্ছে যৌ'ন সম্পর্কের ফাইনাল স্টেজ। ছেলেদের যখন লি'ঙ্গোত্থান হয় এবং মেয়েদের যোনিদ্বারে তা পে'নিট্রেট করানো হয়, তাকেই বলা হয় সে'ক্সুয়াল ইন্টারকোর্স। ইন্টারকোর্স করার সময় ছেলেদের শুক্রথলিতে উৎপন্ন হওয়া বী'র্য বেরিয়ে আসে। মেয়েদের ডিম্বাশয়ে এই বী'র্য প্রবেশ করলে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনা থাকে। ইন্টারকোর্স করার পরই শরীর একটু ঝিমিয়ে পড়ে। ফোরপ্লে ও ইন্টারকোর্সের সময় আমাদের শরীর সে'ক্স রেসপন্স চক্রে ঢুকে পড়ে। এই চক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে আমাদের শরীর বিভিন্নভাবে রিঅ্যাক্ট করে। সে'ক্স রেসপন্স চক্রকে মোট চারটে ভাগে ভাগ করা যায়,

একসাইটমেন্ট ফেজ় : এটা প্রথম ধাপ। সে'ক্সুয়াল কোনও কিছু দেখলে বা জানলে আমাদের হার্টবিট বেড়ে যায়, নিঃশ্বাসও অনেক ঘন-ঘন পড়ে, ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়। ফলে অনেকেরই গাল লাল বা শরীরের বিশেষ কোনও অঙ্গ লাল হয়ে যায়। মেয়েদের অনেকসময় বলে না লজ্জায় লাল, সেটা আসলে র'ক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ফলেই হয়। জেনিট্যালে র'ক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। ফলে মেয়েদের ক্লিটোরিস ও লেবিয়া অর্থাৎ ভ্যাজাইনার ভিতরের দিকের ও উপরের দিকের দেওয়ালে লুব্রিকেশন হয় আর ছেলেদের ক্ষেত্রে টেস্টিক্লে র'ক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়, ফলে লি'ঙ্গোত্থান হয়।

প্লেটো ফেজ় : আগের ধাপে যে লক্ষণগুলো দেখা দেয়, সেগুলোই আরও জোরালো হতে শুরু করে এই পর্যায়ে। এইসময়, ছেলেদের টেস্টিক্‌ল থেকে প্রি-ইজ্যাকুলেটরি সেমিনাল ফ্লুয়িড বেরিয়ে আসে। অনেকসময় আমরা এটাকেই সিমেন বলে ভুল করি। কিন্তু এর ঘনত্ব সিমেনের চেয়ে অনেক কম। সেইজন্যই লি'ঙ্গ থেকে একরকম জলীয় পদার্থ বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই পর্যায়টা খুব একটা স্পষ্ট বোঝা যায় না। মেয়েদের ভ্যাজাইনার ক্লিটোরিস অংশটা খুব সেনসেটিভ হয়ে পড়ে এবং বার্থোলিন গ্রন্থি থেকে আরও তরল পদার্থ নিঃসৃত হয় লুব্রিকেশনের জন্য। ফলে যোনিদ্বারে একটা ভিজেভাব আসে। শরীরের বিভিন্ন পেশিতেও একটা টান অনুভূত হয়।

অরগ্যাজ়ম : এটাকে সে'ক্স রেসপন্স সাইকেলের ক্ল্যাইম্যাক্সও বলা হয়। এটা খুব কম সময়ের জন্য স্থায়ী হয়, কিন্তু ইনটেনসিটি বেশি থাকে। র'ক্তচাপ, হার্টবিট মারাত্মক বেড়ে যায়, ঘন-ঘন শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। ছেলে ও মেয়েদের যৌ'নাঙ্গেও ছন্দ মিলিয়ে প্রসারণ-সংকোচন হতে দেখা যায়। এই সময় ছেলেদের টেস্টিক্ল থেকে ইজ্যাকুলেশন হয় বা সিমেন বেরিয়ে আসে। মেয়েদের ভ্যাজাইনাতেও সেনসেশন হয়। যৌ'ন সম্পর্কের চরম মুহূর্ত বলেই তাই চিহ্নিত করা হয় এই পর্যায় শরীরে র'ক্তচাপের তারতম্য হওয়ায় মাস্‌ল স্প্যাজ়ম হয় অর্থাৎ এইসময় পায়ের পেশিতে একটা টান লাগে।

রিসলিউশন : এই ফেজ়ে শরীরটা হালকা হয়ে আসে। শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। কিছু ক্ষেত্রে মেয়েরা পরবর্তী অরগ্যাজ়মের জন্য প্রস্তুত হয়, কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে রিসলিউশন পর্যায়ের পর একটা ক্লান্তি আসে, শরীর বিশ্রাম চায়।

সে'ক্স সম্পর্কে ধারণাটা তা হলে এবার আগের চেয়ে নিশ্চয়ই অনেকটা স্পষ্ট হয়েছে। তার সঙ্গে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ, এই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। প্রেমের সম্পর্কে শারীরিক সম্পর্ক আসতেই পারে। কিন্তু তার সঙ্গে অবাধ যৌ'ন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনা থাকে। শুধু তাই-ই নয়, শরীরে বাইরের অনেক জীবাণুও প্রবেশ করতে পারে, যার ফলে সে'ক্সুয়াল অসুখ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে কনট্রাসেপশন বা গর্ভনিরোধ সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল।

Check Also

ভাবিকে বিয়ে করা কি জায়েজ?

দাম্পত্য সম্পর্কের গুরুত্ব বোঝাতে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন, স্ত্রীরা তোমাদের ভূষণ এবং …