Home / সারাদেশ / ভাউচারে পণ্য পাচ্ছে না গ্রাহকরা, টাকা দিচ্ছে না ইভ্যালি

ভাউচারে পণ্য পাচ্ছে না গ্রাহকরা, টাকা দিচ্ছে না ইভ্যালি

চুক্তিবদ্ধ পণ্য সরবরাহকারী অনেক প্রতিষ্ঠানের (মার্চেন্ট) কাছে ইভ্যালির দেওয়া ভাউচার জমা দিয়ে পণ্য পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। আবার ইভ্যালির কাছে টাকা ফেরত চেয়েও মিলছে না কোনো সমাধান।

অভিযোগ রয়েছে, ভাউচারের বিপরীতে চুক্তিবদ্ধ পণ্য সরবরাহকারী অনেক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পাওনা পরিশোধ করেনি ইভ্যালি। এজন্য বেশ কয়েকদিন ধরে কেউ কেউ ইভ্যালির দেওয়া গিফট ভাউচারের বিপরীতে পণ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে সময়মতো পণ্য পাচ্ছেন না গ্রাহকদের একটা অংশ। এছাড়া চেক দিলেও ‘তাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা নেই’ বলে ওই চেক ব্যাংকে জমা না দিতে বলছে ইভ্যালি।

‘রঙ বাংলাদেশে’র বিজ্ঞপ্তি

বুধবার দেশি পোশাকের ব্র্যান্ড ‘রঙ বাংলাদেশ’ এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, ইভ্যালির কেনা গিফট ভাউচারগুলো নিয়ে বিশেষ সমস্যায় পড়েছে তারা। গিফট ভাউচার নিলেও সিংহভাগ ক্ষেত্রেই টাকা পরিশোধ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। ইভ্যালির সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করলেও এ ব্যাপারে সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি। ফলে ইভ্যালির ভাউচার ব্যবহার করে এখন কেনাকাটা করতে দিতে পারছে না তারা।

‘রঙ বাংলাদেশ’ আরো বলেছে, রঙ বাংলাদেশের সুনামের স্বার্থে ইভ্যালির কাছ থেকে পাওয়া টাকার অনেক বেশি পণ্য গিফট ভাউচারের বিপরীতে ক্রেতাদের দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও ‘রঙ বাংলাদেশ’ উভয়ই এখন ভুক্তভোগী। এখন বাধ্য হয়েই গিফট ভাউচার ব্যবহার করে কেনাকাটা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। টাকা পরিশোধের প্রক্রিয়া ইভ্যালি চলমান করা মাত্রই গিফট ভাউচারগুলো সচল করা হবে।

‘রঙ বাংলাদেশে’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৌমিক দাস গণমাধ্যমকে জানান, অনেক টাকা ইভ্যালিতে আটকে রয়েছে। নিরুপায় হয়েই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও একই ধরনের অসুবিধায় রয়েছে।

ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল গণমাধ্যমকে জানান, ছোট-বড় মিলিয়ে কয়েক হাজার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইভ্যালির চুক্তি রয়েছে। এর মধ্যে ‘রঙ বাংলাদেশ’ও একটি। অসুবিধার বিষয়টা সাময়িক।

তিনি আরো জানান, এখন ইভ্যালির একটা অস্থির সময় চলছে। ইভ্যালি নিয়ে তদন্ত চলাকালীন বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে একজন ব্যবসায়ীর পাশে আরেকজন ব্যবসায়ীর দাঁড়ানোই উচিত।

ব্যাংকে চেক জমা দিতে না বলার বিষয়ে মোহাম্মদ রাসেল জানান, দ্য সিটি ব্যাংকের চেক পাস হলেও অন্য ব্যাংকেরগুলো হচ্ছে না। গ্রাহকেরা তাদের হিসাব নম্বরগুলো ইভ্যালিকে দিয়ে রাখলে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাংক পরিবর্তন করা হবে। এখন তো সব নতুন নিয়মে চলছে। পুরোনো বিষয়গুলোর সমাধান করতে সময় লাগবে তিন থেকে চার মাস।

Check Also

স্ত্রীর অনুরোধে লাইফ সাপোর্টে থাকা স্বামীর থেকে সংগ্রহ করা হল শুক্রাণু

করোনা আক্রান্ত স্বামী হাসপাতালে ভর্তি। রয়েছেন লাইফ সাপোর্টে। কিন্তু স্ত্রী চান সন্তান ধারণ করতে। সেই …