Home / সারাদেশ / বাড়ি ফাঁকা পেলে কিংবা বৌদি ঘুমোলেই বোনের ঘরে ঢুকতেন দাদা

বাড়ি ফাঁকা পেলে কিংবা বৌদি ঘুমোলেই বোনের ঘরে ঢুকতেন দাদা

বোনের বয়স যখন একবছর তখন মারা যায় বাবা। আট বছর বয়সে বাবাও। এরপর বড় ভাই বা দাদার কাছেই আশ্রিত ছিল নাবালিকা বোন। কিন্তু পাশবিক বলুন আর বর্বরই বলুন সেই দাদরই লালসার শিকার হয় ছোট্ট বোনটি। যে ঘটনার ব্যাখ্যা মেলে না বুদ্ধিতে।

নিজের ভাইয়েরই জৈবিক লালসার শিকার বোনটি আর সইতে না পেরে অভিযোগ জানায়। এরকমই এক ঘটনা প্রকাশ্যে এল ভারতের রাজ্য আহমেদাবাদে। বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর বোনকে কাছে রেখে তিন বছর ধরে ধ'র্ষণ করে তারই দাদা। নাবালিকার অভিযোগ পেয়ে দাদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দাদার অত্যাচারের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে, নিজেই থানায় চলে আসে নির্যাতিতা নাবালিকা। স্থানীয় সারখেজ থানায় অভিযোগ করা ওই নাবালিকার বয়স মাত্র ১৫।

সে জানায়, তার দাদার বয়স ২৬। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর, দাদার কাছেই থাকে। গত তিন বছর ধরে লাগাতার দাদার কামনার বলি হচ্ছে সে। শুধু ধ'র্ষণই নয়, মুখ খুললেই মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয় তাকে। দাদা একমাত্র অভিভাবক হওয়ায় মুখ বুঁজে সব ধরনের অত্যাচার সহ্য করত ওই নাবালিকা। অথচ দাদা ছিল বিবাহিত। বাড়িতেই থাকত তার স্ত্রী। তারাপরও বোনকে নির্যাতন করতো মানুষরূপী ওই পশু।

কিন্তু তিন মাস ঋতুস্রাব বন্ধ থাকায়, ওই নাবালিকা তার বৌদির মায়ের কাছে সব কথা জানায়। ওই নারীই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপরই জানাজানি হয় জানোয়াররূপী দাদার কুকীর্তি।

নাবালিকা তার অভিযোগ পত্রে আরও জানিয়েছে, ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি রাতে প্রথম তার শ্লীলতাহানি করে দাদা। তারপর হুমকি দেয়, মুখ খুললে বা বাধা দিলেই, মৃত্যু অনিবার্য। ওই নাবালিকার দাবি, দাদার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গেলে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ আর মারধর করতো।

ফাঁকা বাড়ি, বা স্ত্রী ঘুমিয়ে থাকলে, সেই সুযোগে তার ঘরে ঢুকে পড়ত। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকে দাদাই তাকে বড় করেছে। দাদা-বৌদির সঙ্গে মাকারবায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত ওই নাবালিকা। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬ বছরের ওই যুবককে গ্রেপ্তারের পর মামলা দায়ের করেছে আহমেদাবাদ পুলিশ।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Check Also

গণপরিবহন চালুর বিষয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত

বিদ্যমান করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান বিধিনিষেধ আরো বাড়ানো হতে পারে। …