Home / বিনোদন / ডিভোর্সি নাকি সেপারেটেড! স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন রচনা ব্যানার্জি

ডিভোর্সি নাকি সেপারেটেড! স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন রচনা ব্যানার্জি

টলিউড (Tollywood) অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি (Rachana Banerjee) শুধুই একজন অভিনেত্রী নন। গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ (Didi Number One) রিয়েলিটি শো’য়ের সঞ্চালিকা। বলতে গেলে গোটা রিয়েলিটি শো’য়ের জনপ্রিয়তা নির্ভর করছে তার ইমেজের উপর। ব্যক্তিগত জীবনটাকে বরাবর ব্যক্তিগত স্তরেই রাখতে পছন্দ করেন অভিনেত্রী। তবে টলিউডের অন্যান্য অভিনেত্রীদের মত রচনা ব্যানার্জিকে ঘিরে বিতর্কও কিছু কম নেই।

‘দিদি নাম্বার ১’এর সূত্রে রচনার ছেলে প্রণীলের সঙ্গে আলাপ হয়েছে দর্শকদের। রচনা মুখে প্রায়শই তার গল্প শোনা যায়। তবে এমনিতে সাধারণত রচনার স্বামী প্রবাল বসু সম্পর্কে কোনও কথা শোনা যায় না তার মুখে। স্বভাবতই নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগে তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে। রচনা ডিভোর্সি? সেপারেটেড? নাকি সিঙ্গেল মাদার? অবশেষে জবাব দিলেন অভিনেত্রী নিজেই।

সদ্য সংবাদ প্রতিদিনের কাছে একটি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রচনা তার ম্যারিটাল স্ট্যাটাস তুলে ধরলেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন তিনি বিবাহিত। তবে তাদের সঙ্গে ‘হ্যাপি ম্যারেড’ তকমা যায় না! কারণ তিনি আর তার স্বামী এখন আলাদা থাকেন। তবে তারা ডিভোর্স নেননি ছেলের কথা ভেবে। ডিভোর্সড বাবা-মায়ের সন্তান হিসেবে প্রণীল বড় হোক, রচনা এবং প্রবাল তা চাননি।

রচনার কথায়, “ছেলের জন্যই আমরা ডিভোর্স নেইনি। কারণ আমি কখনও চাইনি যে আমার ছেলেকে এই ট্যাগটা দেওয়া হোক যে তাঁর বাবা-মা ডিভোর্সড। এটা আমার এবং আমার স্বামীর মিলিত সিদ্ধান্ত”। রচনা আরও জানিয়েছেন এখন তার সঙ্গে তার স্বামীর সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। ছেলেকে নিয়ে মাঝেমধ্যেই রেস্তোরাঁতে খেতে যান তারা।

রচনা জানিয়েছেন, ছেলের পরীক্ষা থাকলে প্রবাল বাড়িতে এসে ছেলেকে পড়ান। তিনজনে একসঙ্গে বসে গল্প করেন, হাসি ঠাট্টাও চলে। তার এবং তার স্বামীর সম্পর্কের ভাঙ্গনের আঁচ যাতে ছেলের উপর না পড়ে তার জন্য সচেষ্ট রচনা। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে প্রবাল বসুকে বিয়ে করেছিলেন রচনা। ইদানিং তিনি তার ছেলেকে নিয়ে মা এবং বাবার সঙ্গেই থাকতেন। সদ্য তার বাবার মৃত্যু হয়েছে।

Check Also

নায়ক মান্না স্মরণে গান লিখলেন স্ত্রী শেলী মান্না

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মান্না। অসংখ্য ভক্তকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি না-ফেরার …