Home / সারাদেশ / কঠোর লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা রাখা নিয়ে যা বললেন মালিকরা

কঠোর লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা রাখা নিয়ে যা বললেন মালিকরা

সারাদেশে সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন আসছে। এ সময় জরুরি সেবা ছাড়া বন্ধ থাকবে সব। তবে লকডাউনেও কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন গার্মেন্টস মালিকরা। তারা বলছেন, গার্মেন্টস বন্ধ হলে শ্রমিকরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে গ্রামে যেতে চাইবে, এ কারণে গার্মেন্টস খোলা রাখা জরুরি।

শুক্রবার রাতে বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, শাটডাউন বা লকডাউন যেটাই হোক- আমি মনে করি তৈরি পোশাক কারখানা এই লকডাউনের বাইরে থাকবে। কারণ, তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ করা হলে গার্মেন্টস কর্মীরা গ্রামে যাওয়ার চেষ্টা করবে, বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।

তিনি বলেন, এটা সবাই জানে- ছুটি পেলেই শ্রমিকরা গ্রামের দিকে রওনা দেন। এতে করোনার প্রকোপ আরো ছড়িয়ে পড়বে। গ্রাম-শহর একাকার হয়ে যাবে। এছাড়া এই সময় অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য গার্মেন্টস খোলা রাখা জরুরি। সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করলে কারখানা খোলা রাখাই ভালো হবে। এছাড়া অধিকাংশ শ্রমিক যেহেতু কারখানার কাছেই থাকেন, ফলে তাদের যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা নেই।

বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেন, কারখানা বন্ধ রেখে যতটা না উপকার, তার চেয়ে খোলা রাখাই বেশি উপকার। বন্ধ হলে অর্ডার বাতিল হবে, বায়াররা চলে যাবে। ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করার সুযোগ কমে যাবে। এছাড়া গার্মেন্টসগুলোকে লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হলে শ্রমিকরা তুলনামূলক নিরাপদে থাকবে। বিগত দিনে দেখা গেছে, মালিকরা করোনায় আক্রান্ত হলেও শ্রমিকরা হননি।

শুক্রবার রাতে তথ্য অধিদফরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- কঠোর লকডাউনে জরুরি সেবা ব্যতীত সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও জরুরি পণ্যবাহী যানবাহন ব্যতীত সব যানবাহন বন্ধ থাকবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে কেউ বের হতে পারবে না।

Check Also

গণপরিবহন চালুর বিষয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত

বিদ্যমান করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান বিধিনিষেধ আরো বাড়ানো হতে পারে। …