Home / এক্সক্লুসিভ / এ গ্রামে দিন কাটাতে মুখিয়ে থাকেন বিদেশিরাও, সহজে ঘর পাওয়াই দায়

এ গ্রামে দিন কাটাতে মুখিয়ে থাকেন বিদেশিরাও, সহজে ঘর পাওয়াই দায়

দেশজুড়ে কতই গ্রাম রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে এমন একটি গ্রাম রয়েছে যা সবের থেকে আলাদা। সেখানে থাকার জন্য বিদেশি পর্যটকেরাও মুখিয়ে থাকেন। শহর থেকে দূরে গ্রাম্য পরিবেশে কয়েকটা দিন কাটাতে ভালই লাগে।

কিন্তু তার জন্য ভারতের কোণায় কোণায় গ্রাম ছড়িয়ে আছে। সেখানে কটা দিন কাটানোর জন্য পর্যটকরা এমন হামলে পড়েন না। কিন্তু এ গ্রামে এসে দিন কাটাতে বিদেশি পর্যটকেরাও বহুদিন আগে থেকে খোঁজ নিতে শুরু করেন।

অথচ গ্রামটি তৈরি হয়েছে ২০১৩ সালে। নদীর ধারে দেড় একর জমির ওপর ছবির মত সুন্দর গ্রামটি নিজে থেকে তৈরি হয়নি। তা তৈরি করা হয়েছে। আর তৈরি করা হয়েছে একটি বিশেষ দিক মাথায় রেখে।

গ্রামের প্রতিটি বাড়ি তৈরি হয়েছে কাশ্মীরের গ্রামের বাড়ির স্থাপত্যে। ছোট ছোট বাড়ি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে আশপাশে ছড়িয়ে থাকা প্রকৃতি থেকে পাওয়া বিভিন্ন অংশ। সেখানে যে অতিথিরা আসেন তাঁদের যে খাবার পরিবেশন করা হয় তা স্থানীয় খাবার। স্থানীয় অথচ খেতে ভাল এমন খাবার মাটির থালায় করে পরিবেশন করা হয়। খাবারে যে আনাজ বা মাংস ব্যবহার হয় তা গ্রামেরই খামার থেকে আনা হয়। রান্না হয় গ্রামেই। তারপর তা পরিবেশন করা হয়।

অতিথিদের জন্য ছোট ছোট কুটিরে যে আসবাব রয়েছে তাও আশপাশের গাছের কাঠ থেকেই তৈরি করা হয়েছে। তৈরিতে রয়েছে স্থানীয় আসবাবের ছোঁয়া। সব মিলিয়ে এক পরিবেশ বান্ধব গ্রাম তৈরি করেছেন ফায়াজ আহমেদ নামে স্থানীয় এক যুবক। ৩ বছরের পরিশ্রমে জমানো পুঁজি ও আত্মীয় বন্ধুদের কাছ থেকে ধার করা টাকায় শ্রীনগরের কাছে চন্থন গুলাবপুরা এলাকায় প্রকৃতির কোলে গ্রামটি তৈরি করেন ফায়াজ।

সিন্ধ নদীর ধারে তাঁর এই ছবির মত সুন্দর ‘স্যাগ ইকো ভিলেজ’-এ একটা দিন কাটিয়ে যাওয়া দেশবিদেশের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Check Also

মি’লনের সময় মেয়েদের কানে কানে ‘এই’ কথাগুলো বলুন, উ’ত্তেজ’নায় পাগল হবে, উজাড় করবে নিজেকে

মি'ল'নের সময় ছেলেরা ছোট কথাকে তেমন পাত্তাও দেয় না অনেক সময়েই। অথচ এই বিষয়গুলোই প্রেমিক-প্রেমিকা …